ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে মোদির সঙ্গে ত্রিবেদীর ‘খুব ভালো’ ও ‘দীর্ঘ’ বৈঠক শিশির মনিরকে জামায়াত থেকে বহিষ্কার চাইলেন রাশেদ খাঁন জঙ্গল সলিমপুরের পাশে পুলিশ একাডেমি ও কারাগার হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিউমুরিং টার্মিনাল ডিপি ওয়ার্ল্ডকে দেওয়ার প্রতিবাদে বিক্ষোভ রাজধানীতে, পুলিশের লাঠিপেটা পাকিস্তানি সেনারা সৌদি আরবে অবস্থান করছেন: পাকিস্তান সেনাবাহিনী গাঢ় নীল পোশাকে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছেন জয়া আহসান রোলারের চাপায় ৩ কোটি টাকার মাদক ধ্বংস করল বিজিবি ভারতের সঙ্গে শত্রুতা আমাদের প্রত্যাশা নয়, প্রশ্ন হচ্ছে ‘স্বার্থ সুরক্ষা’: নাহিদ ইসলাম শেখ হাসিনাকে ফেরানোর প্রক্রিয়া জানালো ভারত পর্দার ‘মিনিস্টার ফাটাকেষ্ট’ এবার বাস্তবেও মন্ত্রীর মর্যাদায়

বাধ্য হয়ে পোশাক কারখানা বন্ধের ঘোষণা: বিজিএমইএ

ঢাকার উত্তরায় বিজিএমইএ সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, যত দিন না শ্রমিক ভাঙচুর বন্ধ
  • আপলোড সময় : ১২ নভেম্বর ২০২৩, দুপুর ৩:৩৪ সময়
  • আপডেট সময় : ১২ নভেম্বর ২০২৩, দুপুর ৩:৩৪ সময়
বাধ্য হয়ে পোশাক কারখানা বন্ধের ঘোষণা: বিজিএমইএ ছবি: সংগৃহীত

ঢাকার উত্তরায় বিজিএমইএ সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিজিএমইএ সভাপতি ফারুক হাসান বলেন, যত দিন না শ্রমিক ভাঙচুর বন্ধ হচ্ছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলো পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে না পারছে, তত দিন পর্যন্ত কারখানা কর্তৃপক্ষ শিল্প ও সম্পদ রক্ষায় কারখানা বন্ধ রাখতে পারবেন।


তিনি বলেন, পোশাক কারাখানায় কর্মচারী ও শ্রমিকদের নিরাপত্তা এবং কারখানার সম্পত্তি রক্ষার স্বার্থে এসব কারখানার সব কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখা হয়।

মজুরি বৃদ্ধির পরও আন্দোলনের নামে বিভিন্ন জায়গায় কারখানা ভাঙচুর করা হচ্ছে। মজুরি ঘোষণার পর থেকে বেশ কিছু কারখানায় অজ্ঞাতনামা কিছু উচ্ছৃঙ্খল শ্রমিক অযৌক্তিক দাবিতে বেআইনিভাবে কর্মবিরতি পালন করে কর্মকর্তাদের মারধর করেছে। কারখানার ভেতরে ব্যাপক ভাঙচুর ও ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে।


উদ্ভূত পরিস্থিতে আশুলিয়া, কাশিমপুর, মিরপুর ও কোনাবাড়ি এলাকার প্রায় ১৩০টি পোশাক কারখানা ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ বাধ্য হয়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। এসব কারখানার মালিকরা মূলত কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শ্রমিকদের নিরাপত্তা এবং কারখানার সম্পত্তি রক্ষার স্বার্থে কারখানার সব বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যেসব কারখানা শ্রমিকরা কাজ করতে আগ্রহী ,সেগুলোতে কাজ চলছে । তাদের কাজ চলমান থাকবে।

সংবাদ সম্মেলনে তৈরি পোশাক খাতের বিভিন্ন বিষয়ে দীর্ঘ বক্তব্য দেন ফারুক হাসান। তিনি বলেন, যেহেতু বর্তমানে পোশাক খাতে অনেক কারখানায় কাজ কম, ক্রেতারা নতুন করে কার্যাদেশ দেওয়া বন্ধ রেখেছেন, সেহেতু নতুন নিয়োগ বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। পরিস্থিতি অনুকূলে এলে আবার নতুন নিয়োগ দেওয়া হবে।


ফারুক হাসান বলেন, ব্যাংক দেনা, কার্যাদেশ বাতিল বা যেকোনো কারণে কারখানা বন্ধ হয়ে গেলেও মালিককে মজুরি পরিশোধ করতে হয়। এখন কাজ কম থাকায় কারখানাগুলোকে নতুন নিয়োগ না দিতে বলা হয়েছে। এ মুহূর্তে নতুন নিয়োগ কারখানাগুলোর ওপর বাড়তি বোঝা সৃষ্টি করবে। কোনো কারখানার কাজ বেশি থাকলে যে কারখানায় কাজ কম, সেখান থেকে কাজ করিয়ে নেবে।


আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ করছি, মজুরি বৃদ্ধির পরও আন্দোলনের নামে বিভিন্ন জায়গায় কারখানা ভাঙচুর করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত কারখানাগুলো এ ব্যাপারে আমাদের ভিডিও ফুটেজ দিয়েছে, মামলার কপিও আমাদের দিয়েছে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: স্টাফ রির্পোটার।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ