ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর আগামীকাল মঙ্গলবার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন। এই সাথে গঠিত হবে তার নেতৃত্বাধীন নতুন মন্ত্রিসভা।
দলের ভেতরে এবং রাজনৈতিক মহলে এই মুহূর্তে মন্ত্রিসভায় কারা স্থান পাবেন তা নিয়ে জল্পনা ও বিশ্লেষণ চলছে। বিএনপির পাশাপাশি মিত্র দলগুলোর জয়ী নেতাদেরও মন্ত্রিসভায় স্থান দেওয়া হতে পারে। দলের অভিজ্ঞ ও তরুণ নেতাদের সমন্বয়ে মন্ত্রিসভা গঠন করা হচ্ছে। বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে উন্নয়ন-বঞ্চিত জেলা, ধর্মীয় ও নৃ-গোষ্ঠী প্রতিনিধিত্ব এবং এক বা একাধিক নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে।
নতুন সংসদের স্পিকার, অর্থমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বের বিষয়েও কৌতূহল বিরাজ করছে। সূত্র জানিয়েছে, অর্থমন্ত্রী পদে দেশের অর্থনীতি সামলে নেওয়ার দক্ষ ও অভিজ্ঞ প্রার্থীকে বিবেচনা করা হচ্ছে, আর পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে হবেন বৈশ্বিক নীতি বাস্তবায়নে সক্ষম প্রার্থী।
অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল জানিয়েছেন, নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের (এমপি) শপথ হবে সকাল ১০টায় জাতীয় সংসদ ভবন-এ। বিকেল ৪টায় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নতুন প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ পাঠ করাবেন। মন্ত্রিপরিষদ সচিব এম সিরাজ মিয়া অনুষ্ঠান পরিচালনা করবেন।
সংবাদে বলা হয়েছে, দক্ষিণ প্লাজায় এই শপথ অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য বিএনপি কমিটি প্রস্তুতি নিয়েছে। অনুষ্ঠানের সব নিরাপত্তা ও আনুষ্ঠানিকতা নিশ্চিত করতে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ও কর্মকর্তারা সহযোগিতা করবেন।
নির্বাচনের ঘোষিত ফলাফলের ভিত্তিতে ৩০০ আসনের মধ্যে বিএনপি এককভাবে ২০৯ আসন জয়ী হয়েছে। মিত্র দলগুলোর সহায়তায় মোট ২১২ আসন 확보 করেছে। অন্যদিকে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও তার মিত্ররা ৭৭টি আসন পেয়ে নতুন সরকারের অংশীদার হবে।