তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, দেশে বিদ্যমান গণমাধ্যমের স্বাধীনতা অব্যাহত রাখতে সরকার বদ্ধপরিকর। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে তার মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় সব উদ্যোগ গ্রহণ অব্যাহত রাখবে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি হোটেলে ‘হুজ হু বাংলাদেশ ২০২৬’ অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তার বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, জাতীয় ঐক্য সুদৃঢ় করে দেশের উন্নয়নকে এগিয়ে নিতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। বাংলাদেশ একটি সম্ভাবনাময় দেশ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ঐক্য, আন্তরিকতা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই এই সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দেওয়া সম্ভব। তিনি আরও বলেন, অতীতের বিতর্কে না গিয়ে ভবিষ্যতের উন্নয়ন ও অগ্রগতির পথে এগিয়ে যাওয়াই এখন সময়ের দাবি। “সবার আগে বাংলাদেশ”—এই নীতিকে ধারণ করে সবাইকে দেশের উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী জানান, রাজনীতিতে আসার আগে তিনি যুক্তরাজ্যে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে কাজ করেছেন এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালন করেন। পরে পারিবারিক রাজনৈতিক ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় তিনি দেশে ফিরে জনসেবায় যুক্ত হন এবং সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এ বছর ‘হুজ হু বাংলাদেশ ২০২৬’ সম্মাননায় বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখার স্বীকৃতি পেয়েছেন বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তি। কৃষিতে অধ্যাপক ড. জি কে এম মোস্তাফিজুর রহমান, সংস্কৃতিতে ফরিদা আক্তার পপি (ববিতা), সাহিত্যে রাহিতুল ইসলাম, শিক্ষায় মনসুর আহমেদ চৌধুরীসহ আরও অনেকে এ তালিকায় রয়েছেন।
উদ্যোক্তা, সাংবাদিকতা, ক্রীড়া ও সমাজসেবাসহ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে আরও অনেককে সম্মাননা দেওয়া হয়। পাশাপাশি আজীবন সম্মাননা পেয়েছেন আলোকচিত্রী শহিদুল আলম। উল্লেখ্য, ১৮৪৯ সাল থেকে আন্তর্জাতিকভাবে ‘হুজ হু’ বিশ্বের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের জীবনী ও সম্মাননা প্রদান করে আসছে। বাংলাদেশে ২০১৬ সাল থেকে প্রতি দুই বছর অন্তর এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।