দীর্ঘ ২৭ বছর পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন থাকার পর অবশেষে দেশের মাটিতে ফিরেছেন মালয়েশিয়ার গহীন জঙ্গলে দীর্ঘ সময় মানবেতর

২৭ বছর প্রবাসে, ১৫ বছর ‘বনবাসে’ কাটিয়ে দেশে ফিরলেন আমির

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ২৩ এপ্রিল ২০২৬, সকাল ৯:৪৫ সময় , আপডেট সময় : ২৩ এপ্রিল ২০২৬, সকাল ৯:৪৫ সময়

দীর্ঘ ২৭ বছর পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন থাকার পর অবশেষে দেশের মাটিতে ফিরেছেন মালয়েশিয়ার গহীন জঙ্গলে দীর্ঘ সময় মানবেতর জীবনযাপন করা আমির হোসেন তালুকদার। মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ব্র্যাকের সহযোগিতায় তিনি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে সেখানে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।


পরিবার ও স্বজনদের তথ্য অনুযায়ী, তিন দশক আগে জীবিকার সন্ধানে মালয়েশিয়ায় যান আমির হোসেন। প্রথম তিন বছর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ থাকলেও পরে হঠাৎ করেই সব যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘ সময় তাকে মৃত ধরে নিয়েছিল পরিবার। ছয় মাস আগে ফেসবুকের একটি পোস্টের মাধ্যমে জানা যায়, তিনি মালয়েশিয়ার একটি জঙ্গলে টিনের ঘরে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। এরপর ব্র্যাক মাইগ্রেশন ওয়েলফেয়ার সেন্টার ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের সহায়তায় তার খোঁজ শুরু হয়।


ব্র্যাক কর্মকর্তা মো. আল-আমিন নয়ন জানান, প্রবাসী সাংবাদিক বাপ্পী কুমার দাসের সহায়তায় দূতাবাস থেকে ট্রাভেল পাস সংগ্রহ করে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। তার চিকিৎসা ও পুনর্বাসনে সহায়তা করা হবে বলেও জানান তিনি। বিমানবন্দরে আমির হোসেনকে স্বাগত জানান তার পরিবারের সদস্যরা। দীর্ঘ ২৭ বছর পর বাবাকে ফিরে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন ছেলে রফিকুল ইসলাম বাবু। তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমেই বাবার খোঁজ পাওয়া সম্ভব হয়েছে।


পরিবারের তথ্য অনুযায়ী, বিদেশে থাকার সময় এক পর্যায়ে তিনি জঙ্গলে আশ্রয় নেন এবং দীর্ঘ ১৫ বছর বিভিন্ন প্রতিকূল পরিবেশে জীবনযাপন করেন। অসুস্থতা ও দৃষ্টিশক্তি হারানোর পর তার দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়। বর্তমানে দেশে ফিরে পরিবারে যুক্ত হতে পেরে স্বস্তি ও আনন্দ প্রকাশ করেছেন আমির হোসেন।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯