জাতিসংঘের সমুদ্র আইন মানতে ইরান আইনগতভাবে বাধ্য নয় বলে জানিয়েছেন জাতিসংঘে নিযুক্ত দেশটির স্থায়ী প্রতিনিধি আমির সাইদ ইরাভানি।

‘জাতিসংঘের সমুদ্র আইন মানতে বাধ্য নয় ইরান’

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ২৮ এপ্রিল ২০২৬, দুপুর ২:৫৩ সময় , আপডেট সময় : ২৮ এপ্রিল ২০২৬, দুপুর ২:৫৩ সময়

জাতিসংঘের সমুদ্র আইন মানতে ইরান আইনগতভাবে বাধ্য নয় বলে জানিয়েছেন জাতিসংঘে নিযুক্ত দেশটির স্থায়ী প্রতিনিধি আমির সাইদ ইরাভানি। তিনি হরমুজ প্রণালিতে ইরানের সাম্প্রতিক কঠোর নৌ-তৎপরতার পক্ষে জোরালো অবস্থান তুলে ধরেছেন। সোমবার (২৭ এপ্রিল) দেওয়া এক বিবৃতিতে ইরাভানি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতা ও যুদ্ধাবস্থার মধ্যে উপকূলীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং নৌ-চলাচলের স্বাধীনতার মধ্যে ভারসাম্য রাখতে তেহরান এই পদক্ষেপ নিয়েছে। এ অবস্থানকে চলমান সংঘাতের গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে দেখছে মিডল ইস্ট আই।


ইরানি প্রতিনিধি অভিযোগ করেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কিছু প্রভাবশালী দেশ ‘দ্বিমুখী নীতি’ অনুসরণ করছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত অবৈধ নৌ-অবরোধের বিষয়ে তারা নীরব থাকলেও ইরানের পদক্ষেপ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছে। তিনি আরও বলেন, সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা নিয়ে পশ্চিমা দেশগুলোর উদ্বেগ বাস্তবসম্মত নয় এবং তাদের কার্যক্রমের সঙ্গে এর সামঞ্জস্য নেই। বরং ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন অর্থনৈতিক ও সামরিক অবরোধই আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের উদাহরণ বলে দাবি করেন তিনি।


বর্তমানে হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্ব তেলের একটি বড় অংশ পরিবাহিত হয়। এই পথে ইরানের কড়াকড়ির কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। ইরাভানি ইঙ্গিত দেন, যতদিন ইরান তাদের জলসীমায় হুমকির মুখে থাকবে, ততদিন তারা নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে পিছপা হবে না। তেহরানের মতে, আন্তর্জাতিক আইনের আড়ালে তাদের সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা চলছে।


বিশ্লেষকদের মতে, সমুদ্র আইন নিয়ে ইরানের এই অবস্থান যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের জন্য স্পষ্ট সতর্কবার্তা। ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে এই চুক্তির সব ধারা অনুমোদন না করায় তারা নিজেদের জলসীমায় নিজস্ব নীতি প্রয়োগে অটল থাকতে চায়। বর্তমান পরিস্থিতিতে এই কূটনৈতিক টানাপোড়েন কেবল আলোচনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; বরং তা সমুদ্রপথের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সম্ভাব্য সংঘাতে রূপ নিচ্ছে। ফলে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা আরও বাড়ার আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।


সূত্র: মিডল ইস্ট আই

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯