কিশোরগঞ্জের ভৈরব রেলওয়ে স্টেশনে ঘটেছে এক রুদ্ধশ্বাস ও অবিশ্বাস্য ঘটনা, যেখানে মৃত্যুর মুখ থেকে অলৌকিকভাবে বেঁচে ফিরেছেন এক

বাবার বুকই হলো সন্তানের বর্ম, ট্রেনের নিচে ঝাঁপিয়ে পড়ে ২ বছরের শিশুকে বাঁচালেন বাবা

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ২৯ এপ্রিল ২০২৬, দুপুর ১০:১ সময় , আপডেট সময় : ২৯ এপ্রিল ২০২৬, দুপুর ১০:১ সময়

কিশোরগঞ্জের ভৈরব রেলওয়ে স্টেশনে ঘটেছে এক রুদ্ধশ্বাস ও অবিশ্বাস্য ঘটনা, যেখানে মৃত্যুর মুখ থেকে অলৌকিকভাবে বেঁচে ফিরেছেন এক বাবা ও তার দুই বছরের শিশু সন্তান। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে ভৈরব স্টেশনের ১ নম্বর প্ল্যাটফর্মে এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কটিয়াদী উপজেলার লোহাজুড়ি গ্রামের এক দম্পতি তাদের সন্তানকে নিয়ে ঢাকাগামী তিতাস কমিউটার ট্রেনে ওঠার চেষ্টা করছিলেন। হঠাৎ ভিড়ের মধ্যে ভারসাম্য হারিয়ে মা ও শিশু প্ল্যাটফর্ম এবং ট্রেনের মাঝখানের ফাঁকা জায়গায় পড়ে যান। মা দ্রুত উঠে আসতে সক্ষম হলেও শিশুটি নিচে আটকে যায়। ঠিক সেই মুহূর্তে ট্রেন চলতে শুরু করলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে ওঠে।


সন্তানের জীবন বাঁচাতে মুহূর্তের মধ্যে বাবা ট্রেনের নিচে লাফিয়ে পড়ে শিশুটিকে বুকের সঙ্গে শক্ত করে জড়িয়ে নেন এবং রেললাইনের পাশে স্থির হয়ে শুয়ে থাকেন। ট্রেনটি একের পর এক বগি পার হয়ে গেলেও আশ্চর্যজনকভাবে তারা দুজনই অক্ষত থাকেন। এই ভয়াবহ মুহূর্তে প্ল্যাটফর্মে থাকা শত শত যাত্রী আতঙ্কে স্তব্ধ হয়ে যান এবং ট্রেন চলে যাওয়ার পর দেখা যায় বাবা ও শিশু সম্পূর্ণ নিরাপদে রেললাইনে শুয়ে আছেন। পরে স্থানীয়রা দ্রুত তাদের উদ্ধার করেন।


স্টেশনের কর্মীরা জানান, অতিরিক্ত যাত্রী ভিড় এবং ট্রেনের বিলম্বিত আগমনের কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরে তাদের রেলওয়ে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হলেও কোনো গুরুতর আঘাত না থাকায় প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাদের বাড়ি ফেরার পরামর্শ দেওয়া হয়। ভৈরব রেলওয়ে স্টেশন কর্তৃপক্ষ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছে, পুরো ঘটনাটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হলেও সৌভাগ্যক্রমে বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯