যুক্তরাষ্ট্র যদি তাদের “সম্প্রসারণবাদী দৃষ্টিভঙ্গি” ও “হুমকিমূলক বক্তব্য” থেকে সরে আসে, তাহলে ইরান কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানে আগ্রহী বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। শুক্রবার (১ মে) নিজের টেলিগ্রাম অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই অবস্থান তুলে ধরেন। আরাগচি জানান, তিনি তুরস্ক, কাতার, সৌদি আরব, মিসর, ইরাক ও আজারবাইজানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে ফোনালাপে বর্তমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছেন। তিনি বলেন, ইরান আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা চায়, তবে তা অবশ্যই পারস্পরিক সম্মান ও সমতার ভিত্তিতে হতে হবে।
তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, “যুক্তরাষ্ট্র যদি তাদের সম্প্রসারণবাদী নীতি, হুমকিমূলক বক্তব্য ও উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড বন্ধ করে, তাহলে ইরান কূটনৈতিক পথে যেতে প্রস্তুত।” তবে একই সঙ্গে সামরিক অবস্থান নিয়েও কঠোর বার্তা দেন তিনি। আরাগচি বলেন, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে এবং যেকোনো আগ্রাসনের বিরুদ্ধে দেশকে রক্ষায় প্রস্তুত।
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের শান্তি প্রস্তাব নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং দেশটির নেতৃত্বকে নিয়ে কড়া মন্তব্য করেন। এর জবাবেই আরাগচির এই বক্তব্য এসেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনাকে আরও জটিল করে তুলছে।