খাগড়াছড়ির রামগড় স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানি ও যাত্রী পারাপারের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে। এখন কেবল বাংলাদেশ ও ভারতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের

প্রস্তুতি সম্পন্ন, চালুর অপেক্ষায় রামগড় স্থলবন্দর

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ৫ মে ২০২৬, সকাল ৯:৩১ সময় , আপডেট সময় : ৫ মে ২০২৬, সকাল ৯:৩১ সময়

খাগড়াছড়ির রামগড় স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানি ও যাত্রী পারাপারের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে। এখন কেবল বাংলাদেশ ও ভারতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষা। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, অনুমোদন মিললেই পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রথম এই স্থলবন্দরটি চালু করা সম্ভব হবে। চট্টগ্রাম বন্দর থেকে প্রায় ১১২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই বন্দরটি চালু হলে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ত্রিপুরা, মেঘালয়, আসাম, মণিপুর, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড ও অরুণাচল প্রদেশের সঙ্গে সরাসরি বাণিজ্যিক যোগাযোগ স্থাপিত হবে। এতে আঞ্চলিক বাণিজ্যে নতুন গতি আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।


বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের একটি সূত্র জানায়, কিছুদিন স্থবির থাকার পর আবারও রামগড় স্থলবন্দর চালুর কার্যক্রম সক্রিয় হয়েছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে দুই দেশের সম্পর্কের টানাপোড়েনের কারণে বিষয়টি আটকে ছিল। তবে শিগগিরই নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান বন্দর পরিদর্শনে আসতে পারেন এবং স্থানীয়দের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. মানজারুল মান্নান বলেন, “বন্দরের শতভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এখন শুধু চালুর অপেক্ষা। এটি সম্পূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সিদ্ধান্তের বিষয়—দুই দেশের সম্মতি পেলেই কার্যক্রম শুরু করা যাবে।”


জানা গেছে, ২০০৩ সালে তৎকালীন বিএনপি সরকারের সময় রামগড় শুল্ক স্টেশনকে স্থলবন্দরে উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। পরবর্তীতে জমি অধিগ্রহণ ও অবকাঠামো নির্মাণ কাজ শুরু হয়। প্রায় ১০ একর জমির ওপর প্রায় ১৬৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই বন্দরে আধুনিক বন্দর ভবন, প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল, গুদামঘর, পার্কিং ইয়ার্ড ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সুবিধা তৈরি করা হয়েছে।


প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, একই ছাদের নিচে কাস্টমস, ইমিগ্রেশন ও বিজিবিসহ সব সেবা পাওয়ার ব্যবস্থা থাকায় যাত্রীদের ভোগান্তি কমবে। পাশাপাশি বন্দরকে কেন্দ্র করে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থারও উন্নয়ন করা হয়েছে। ইতোমধ্যে চালু হওয়া ‘মৈত্রী সেতু-১’ রামগড়কে ভারতের সাব্রুমের সঙ্গে যুক্ত করেছে, যা এই বন্দরের গুরুত্ব আরও বাড়িয়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মতে, বন্দরটি চালু হলে নির্মাণসামগ্রী, প্লাস্টিক পণ্য, খাদ্যদ্রব্য ও তৈরি পোশাক রপ্তানিতে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। পাশাপাশি পর্যটন খাতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯