দেশের উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী ও প্রাথমিক চিকিৎসার ওষুধের সংকট দেখা দিয়েছে। এতে

টাঙ্গাইলের ৮১ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ওষুধ সরবরাহ বন্ধ

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ৫ মে ২০২৬, সকাল ৯:৪৯ সময় , আপডেট সময় : ৫ মে ২০২৬, সকাল ৯:৪৯ সময়

দেশের উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী ও প্রাথমিক চিকিৎসার ওষুধের সংকট দেখা দিয়েছে। এতে দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী সরকারি স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার সূতি নয়া পাড়ার গৃহিণী ইয়াসমিন বেগম দুই সন্তানের মা। আর্থিক ও শারীরিক কারণে তিনি আর সন্তান নিতে চান না। স্থায়ী পদ্ধতি গ্রহণেও ভয় পাওয়ায় তিনি দীর্ঘদিন ধরে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র থেকে বিনামূল্যে জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী সংগ্রহ করে আসছিলেন। কিন্তু গত ছয় মাস ধরে কেন্দ্রটিতে কোনো জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী বা সাধারণ ওষুধ পাওয়া যাচ্ছে না।


এমন চিত্র শুধু গোপালপুর নয়, দেশের বিভিন্ন উপজেলাতেই দেখা যাচ্ছে। পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের অধীন উপজেলা ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে সরবরাহ বন্ধ থাকায় সেবা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। জানা গেছে, এসব কেন্দ্রে সাধারণত পরিবার পরিকল্পনা সেবা, গর্ভবতী মায়েদের স্বাস্থ্যসেবা, শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের চিকিৎসাসহ বিভিন্ন প্রাথমিক চিকিৎসা বিনামূল্যে দেওয়া হয়। তবে বর্তমানে স্টক শূন্য থাকায় রোগীদের খালি হাতে ফিরতে হচ্ছে।


স্থানীয় স্বাস্থ্যকর্মীরা জানান, প্রতিদিন অসংখ্য দরিদ্র মানুষ জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী ও সাধারণ ওষুধ নিতে কেন্দ্রে আসছেন, কিন্তু সরবরাহ না থাকায় তারা সেবা পাচ্ছেন না। বাইরে থেকে এসব সামগ্রী কিনতে গেলে দাম বেশি হওয়ায় অনেকেই তা ব্যবহার করতে পারছেন না। ফলে অনিয়ন্ত্রিত জনসংখ্যা বৃদ্ধির ঝুঁকি বাড়ছে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।


গোপালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শারমীন আখতার বলেন, “স্টোরে বর্তমানে কোনো জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী বা ওষুধ নেই। এটি খুবই উদ্বেগের বিষয়।” টাঙ্গাইল জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের এক কর্মকর্তা জানান, জেলার ৮১টি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রেই একই ধরনের সংকট চলছে এবং দীর্ঘদিন ধরে সরবরাহ স্বাভাবিক নয়। এ বিষয়ে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. আশরাফী আহমদ বলেন, সমস্যাটি পুরোনো এবং সমাধানের চেষ্টা চলছে।


সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯