বেসরকারি স্কুল ও কলেজের এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণে নতুন ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষক বদলি নীতিমালা–২০২৬ (সংশোধিত)’ প্রকাশ করেছে শিক্ষা

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির নীতিমালা প্রকাশ

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ৭ মে ২০২৬, দুপুর ১১:৪ সময় , আপডেট সময় : ৭ মে ২০২৬, দুপুর ১১:৪ সময়

বেসরকারি স্কুল ও কলেজের এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণে নতুন ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষক বদলি নীতিমালা–২০২৬ (সংশোধিত)’ প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এতে নির্দিষ্ট শর্তসাপেক্ষে শিক্ষকরা এক প্রতিষ্ঠান থেকে অন্য প্রতিষ্ঠানে বদলির সুযোগ পাবেন। বুধবার (৬ মে) মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এই প্রজ্ঞাপন জারি করে। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী এখন থেকে অনলাইন সফটওয়্যারের মাধ্যমে স্বচ্ছ ও নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় বদলি কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।


বদলির যোগ্যতা ও সীমাবদ্ধতা—

নীতিমালায় বলা হয়েছে, চাকরিতে যোগদানের পর কমপক্ষে দুই বছর পূর্ণ হলে শিক্ষকরা বদলির জন্য আবেদন করতে পারবেন। একবার বদলির পর পুনরায় বদলির জন্যও দুই বছর অপেক্ষা করতে হবে। একজন শিক্ষক তার পুরো কর্মজীবনে সর্বোচ্চ তিনবার বদলির সুযোগ পাবেন। প্রতি বছর নির্ধারিত সময়ে শূন্য পদের তালিকা প্রকাশ করে অনলাইনে আবেদন নেওয়া হবে।


অগ্রাধিকার ও শর্ত—

বদলির ক্ষেত্রে নিজ জেলা ও নিজ বিভাগকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। নিজ জেলায় পদ না থাকলে নিজ বিভাগের অন্য জেলায় আবেদন করা যাবে। বিশেষ ক্ষেত্রে স্বামী বা স্ত্রীর কর্মস্থল বিবেচনায় বদলির সুযোগ থাকবে। একাধিক আবেদনকারীর ক্ষেত্রে নারী শিক্ষক, দূরত্ব, পারিবারিক কারণ এবং জ্যেষ্ঠতাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে বছরে সর্বোচ্চ দুইজন শিক্ষক বদলি হতে পারবেন এবং একই বিষয়ে একাধিক শিক্ষক বদলি করা হবে না।


আবেদন ও যোগদান প্রক্রিয়া—

শিক্ষকরা অনলাইনে সর্বোচ্চ তিনটি প্রতিষ্ঠানের পছন্দ দিতে পারবেন। আবেদন নিষ্পত্তি করবেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। বদলির আদেশের পর ১০ দিনের মধ্যে বর্তমান প্রতিষ্ঠান থেকে অবমুক্ত হতে হবে এবং নতুন প্রতিষ্ঠানে আরও ১০ দিনের মধ্যে যোগদান করতে হবে। বদলিকৃত শিক্ষকের এমপিও, জ্যেষ্ঠতা ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধা বহাল থাকবে।


নিষেধাজ্ঞা ও শর্ত—

নীতিমালায় বলা হয়েছে, কোনো শিক্ষকের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা, বরখাস্ত বা ফৌজদারি মামলা চলমান থাকলে তিনি বদলির যোগ্য হবেন না। এছাড়া বদলিকে অধিকার হিসেবে দাবি করা যাবে না এবং কোনো ভাতা প্রদান করা হবে না। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মিজানুর রহমানের সই করা এ নীতিমালা জারির তারিখ থেকেই কার্যকর হয়েছে।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯