দেশের সবচেয়ে বড় গ্রীষ্মকালীন টম্যাটো বাজার হিসেবে পরিচিত দিনাজপুর সদর উপজেলার গাবুড়া বাজারে এখন জমে উঠেছে বেচাকেনা। মৌসুমের

জমে উঠেছে গাবুড়ার টম্যাটোর বাজার, ভালো দাম পেয়ে খুশি কৃষকরা

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ৯ মে ২০২৬, সকাল ৯:৪২ সময় , আপডেট সময় : ৯ মে ২০২৬, সকাল ৯:৪২ সময়

দেশের সবচেয়ে বড় গ্রীষ্মকালীন টম্যাটো বাজার হিসেবে পরিচিত দিনাজপুর সদর উপজেলার গাবুড়া বাজারে এখন জমে উঠেছে বেচাকেনা। মৌসুমের শুরুতেই ভালো দাম পাওয়ায় কৃষকের মুখে হাসি ফুটলেও পরিবহন খরচ ও বাজারমূল্যের তারতম্যে ব্যবসায়ীরা লোকসানের মুখে পড়ছেন। প্রতিদিন ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত চলা এই বাজারে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে কৃষকরা টম্যাটো নিয়ে আসেন। খেত থেকে সংগ্রহ করা টম্যাটো সাইকেল, ভ্যান ও খাঁচায় করে আনা হয় হাটে। পরে পাইকাররা সেগুলো কিনে বাছাই করে বাক্সজাত করে ট্রাকে করে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পাঠান। প্রতিদিন গাবুড়া বাজার থেকে রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলায় প্রায় ৫০ থেকে ৬০টি ট্রাক টম্যাটো পরিবহন করা হয়।


শরীয়তপুর থেকে আগত ব্যবসায়ী করিম সওদাগর জানান, এ বছর কৃষকরাই তুলনামূলক বেশি লাভবান হচ্ছেন। তবে ঢাকার বাজারে প্রত্যাশিত দামে বিক্রি না হওয়ায় ব্যবসায়ীরা কাঙ্ক্ষিত মুনাফা পাচ্ছেন না, বরং অনেক ক্ষেত্রে লোকসান গুনতে হচ্ছে। তিনি বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় পরিবহন ব্যয়ও বেড়েছে, যা ব্যবসায়ীদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে। অন্যদিকে কৃষকেরা ভালো দাম পেয়ে সন্তুষ্ট। সদর উপজেলার নয়নপুর এলাকার কৃষক জিয়াউল ইসলাম জানান, গত বছরের তুলনায় এবার ফলন ও দাম দুটোই ভালো। তিনি প্রতি মণ টম্যাটো ১ হাজার ৫০ টাকায় বিক্রি করেছেন বলে জানান।


আরেক কৃষক বলরাম রায় জানান, বাজারে বিপুল প্লাস ও বিউটি জাতের টম্যাটো প্রতি মণ ১ হাজার টাকায় এবং আনসাল জাতের টম্যাটো ১ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত অর্থবছরে জেলায় ৮৬৫ হেক্টর জমিতে ৩৬ হাজার ১৮ মেট্রিক টন টম্যাটো উৎপাদিত হয়েছিল। চলতি বছর তা বেড়ে ১ হাজার ১০৮ হেক্টর জমিতে পৌঁছেছে এবং উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৪৬ হাজার ১৩৭ মেট্রিক টন।


অতিরিক্ত পরিচালক (শস্য) মো. আনিছুজ্জামান জানান, মাঠপর্যায়ে কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ ও সহায়তার কারণে এবার চাষের পরিমাণ বেড়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, প্রতি হেক্টরে গড়ে ৪১.৬৪ টন উৎপাদন হবে। তিনি আরও জানান, ইতোমধ্যে প্রায় ৯০০ হেক্টর জমির ফসল উত্তোলন সম্পন্ন হয়েছে এবং অবশিষ্ট অংশ ধাপে ধাপে সংগ্রহ করা হচ্ছে।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯