আটলান্টিক মহাসাগরে বিভিন্ন দেশের যাত্রীদের নিয়ে ভ্রমণে থাকা ‘এমভি হন্ডিয়াস’ নামের একটি প্রমোদতরীতে হান্টাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। ঘটনাটিকে

হান্টা ভাইরাস কী মহামারির ইঙ্গিত দিচ্ছে?

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ১০ মে ২০২৬, দুপুর ১০:১৭ সময় , আপডেট সময় : ১০ মে ২০২৬, দুপুর ১০:১৭ সময়

আটলান্টিক মহাসাগরে বিভিন্ন দেশের যাত্রীদের নিয়ে ভ্রমণে থাকা ‘এমভি হন্ডিয়াস’ নামের একটি প্রমোদতরীতে হান্টাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। ঘটনাটিকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে সংশ্লিষ্ট দেশগুলো ও আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংস্থা। বিবিসি বাংলার প্রতিবেদনে বলা হয়, এক মাস আগে আর্জেন্টিনা থেকে যাত্রা শুরু করা এই প্রমোদতরীতে এখন পর্যন্ত তিনজন যাত্রীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এছাড়া আরও চারজনকে চিকিৎসার জন্য জাহাজ থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।


ভাইরাস সংক্রমণের সম্ভাবনায় শতাধিক যাত্রী ও ক্রু সদস্যকে শনাক্ত করার কাজ চলছে। ইতোমধ্যে যুক্তরাজ্য, দক্ষিণ আফ্রিকা, নেদারল্যান্ডস, যুক্তরাষ্ট্র ও সুইজারল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশের যাত্রীরা নিজ নিজ দেশে ফিরে গেছেন। প্রায় ২৮টি দেশের প্রায় ১৫০ জন যাত্রী ও ক্রু নিয়ে জাহাজটি ১ এপ্রিল আর্জেন্টিনার উশুয়াইয়া থেকে যাত্রা শুরু করে। উদ্দেশ্য ছিল আটলান্টিকের দুর্গম অঞ্চল ঘুরে দেখা।


১১ এপ্রিল এক ডাচ নাগরিকের মৃত্যু ঘটে, পরে তার স্ত্রীসহ আরও একজন যাত্রীও মারা যান। এরপর জার্মান এক নাগরিকের মৃত্যুর পর মোট মৃতের সংখ্যা তিনে পৌঁছায়। দক্ষিণ আফ্রিকার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভাইরাসের একটি নির্দিষ্ট স্ট্রেইন জাহাজ থেকে নামানো কিছু যাত্রীর শরীরে শনাক্ত হয়েছে। ফলে সংক্রমণ নিয়ে আন্তর্জাতিক উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।


হান্টাভাইরাস সাধারণত ইঁদুরজাতীয় প্রাণীর মল, প্রস্রাব বা লালার মাধ্যমে ছড়ায়। শ্বাসের মাধ্যমে এই ভাইরাস মানবদেহে প্রবেশ করে মারাত্মক শ্বাসকষ্ট ও কিডনি জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ভাইরাস থেকে সৃষ্ট রোগে মৃত্যুঝুঁকি ৩০–৪০ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে। তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, সাধারণ মানুষের জন্য ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে কম।


সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রয়েছে এবং যাত্রীদের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের শনাক্ত ও পরীক্ষা করার কাজ চলছে। একই সঙ্গে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে স্বাস্থ্য সুরক্ষা নির্দেশনা জোরদার করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা স্পষ্ট করেছেন, এটি কোভিড-১৯ বা ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো দ্রুত ছড়ানো রোগ নয় এবং বর্তমানে বৈশ্বিক মহামারির আশঙ্কা নেই।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯