“ধানের মণ ৮০০ টাকা, আর শ্রমিকের মজুরি ১২০০ টাকা—তাহলে আমরা খাবো কী, আর বেচবই বা কী?”—এভাবেই ক্ষোভ ও

ধানের মণ ৮০০ টাকা, শ্রমিকের মজুরি ১২০০

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ১৩ মে ২০২৬, দুপুর ১০:১১ সময় , আপডেট সময় : ১৩ মে ২০২৬, দুপুর ১০:১১ সময়

“ধানের মণ ৮০০ টাকা, আর শ্রমিকের মজুরি ১২০০ টাকা—তাহলে আমরা খাবো কী, আর বেচবই বা কী?”—এভাবেই ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করছিলেন জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার কৃষক নজরুল ইসলাম। চলতি বোরো মৌসুমে জামালপুর জেলা–এ ধানের বাম্পার ফলন হলেও উৎপাদন খরচ ও শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধি পাওয়ায় কৃষকদের মুখে হাসি নেই। মঙ্গলবার (১২ মে) মাহমুদপুর গ্রামের মাঠে দাঁড়িয়ে কৃষকরা জানান, এক বিঘা জমিতে ধান উৎপাদনে গড়ে ২৩–২৫ হাজার টাকা খরচ হচ্ছে। এর মধ্যে জমি প্রস্তুতি, সার, সেচ ও পরিচর্যার পাশাপাশি সবচেয়ে বড় চাপ তৈরি করছে শ্রমিক খরচ।


স্থানীয় হিসাব অনুযায়ী, এক বিঘা জমির ধান কাটতে প্রায় ৮ জন শ্রমিক লাগে। প্রতি শ্রমিকের মজুরি ১২০০ টাকা ধরলে শুধু ধান কাটতেই প্রায় ৯,৬০০ টাকা খরচ হচ্ছে। অন্যদিকে প্রতি বিঘায় গড়ে ২৪–২৫ মণ ধান উৎপাদন হলেও বাজারে প্রতি মণ ৮০০ টাকা দরে বিক্রি করে আয় হচ্ছে প্রায় ২০ হাজার টাকার কাছাকাছি। ফলে কৃষকরা প্রতি বিঘায় গড়ে ৩–৫ হাজার টাকা লোকসান গুনছেন। কৃষক রবিউল ইসলাম বলেন, “সব খরচ মিটিয়ে আসল টাকাই উঠছে না, লাভ তো দূরের কথা।”


আরেক কৃষক সুরুজ মিয়া জানান, দীর্ঘদিন চাষাবাদ করলেও এমন লোকসানের পরিস্থিতি আগে কখনো দেখেননি। তার মতে, সবকিছুর দাম বাড়লেও ধানের দাম সেই অনুপাতে বাড়েনি। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এবার জেলায় বিপুল পরিমাণ জমিতে বোরো চাষ হলেও বাজারমূল্যের এই নিম্নগতিতে কৃষকরা উদ্বিগ্ন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ আলম শরীফ খান বলেন, কৃষকদের ধান ধরে না রেখে কিছুদিন পর বিক্রি করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি সরকারি গুদামে ধান বিক্রি করলে তুলনামূলক ভালো দাম পাওয়া যেতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।


সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯