দেশের শীর্ষস্থানীয় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে একযোগে নতুন উপাচার্য (ভিসি) নিয়োগের ক্ষেত্রে অ্যাকাডেমিক নিরপেক্ষতা ও আইনি বাধ্যবাধকতা উপেক্ষা করে রাজনৈতিক বিবেচনাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। শুক্রবার (১৫ মে) এক যৌথ বিবৃতিতে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ এই সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা ও উদ্বেগ জানান।
বিবৃতিতে বলা হয়, সাম্প্রতিক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ভিসি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় মেধাভিত্তিক ও স্বচ্ছ সার্চ কমিটি অনুসরণ না করে দলীয় সংশ্লিষ্টতা ও রাজনৈতিক আনুগত্যকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে, যা শিক্ষা ব্যবস্থার নিরপেক্ষতার পরিপন্থী। শিবির নেতারা অভিযোগ করেন, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে এমন ব্যক্তিদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে যাদের বিরুদ্ধে গণমাধ্যমে বিভিন্ন সময় বিতর্ক ও অভিযোগ উঠে এসেছে। পাশাপাশি বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সংশ্লিষ্ট বিষয়ের বিশেষজ্ঞদের পরিবর্তে ভিন্ন ব্যাকগ্রাউন্ডের ব্যক্তিদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলেও তারা দাবি করেন।
তারা আরও বলেন, অতীতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে দলীয় প্রভাবমুক্ত করার যে জনআকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছিল, সাম্প্রতিক এসব নিয়োগ সেই প্রত্যাশার পরিপন্থী। এতে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বায়ত্তশাসন ও গবেষণার মান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিবৃতিতে অবিলম্বে এই নিয়োগ প্রজ্ঞাপন বাতিলের দাবি জানানো হয় এবং শিক্ষা খাতে দলীয় প্রভাব বন্ধ না হলে দেশের ছাত্রসমাজ কঠোর প্রতিক্রিয়া জানাবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।