লেবানন সীমান্তে দীর্ঘদিনের রক্তক্ষয়ী সংঘাত নিরসনে নতুন আশার আলো দেখা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় প্রস্তাবিত এক শান্তি উদ্যোগের আওতায়

যুদ্ধবিরতিতে রাজি ইসরায়েল-হিজবুল্লাহ

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ২ জুন ২০২৬, সকাল ৯:৪৭ সময় , আপডেট সময় : ২ জুন ২০২৬, সকাল ৯:৪৭ সময়

লেবানন সীমান্তে দীর্ঘদিনের রক্তক্ষয়ী সংঘাত নিরসনে নতুন আশার আলো দেখা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় প্রস্তাবিত এক শান্তি উদ্যোগের আওতায় পারস্পরিক হামলা বন্ধে নীতিগত সম্মতি দিয়েছে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহ। তবে সমঝোতার ঘোষণা এলেও সীমান্তের বিভিন্ন স্থানে বিচ্ছিন্ন সংঘর্ষ অব্যাহত রয়েছে। লেবাননের দূতাবাসের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ওয়াশিংটনের উত্থাপিত প্রস্তাব হিজবুল্লাহর নেতৃত্ব গ্রহণ করেছে। এর আওতায় ইসরায়েলের ভূখণ্ডে রকেট ও ড্রোন হামলা বন্ধ রাখা হবে। বিনিময়ে বৈরুতসহ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় নতুন সামরিক অভিযান থেকে বিরত থাকার বিষয়ে সম্মতি দিয়েছে ইসরায়েল।


লেবানন সরকার আশা করছে, এই উদ্যোগ ধীরে ধীরে দেশজুড়ে একটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতিতে রূপ নেবে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, উভয় পক্ষের সঙ্গে আলোচনা ইতিবাচক হয়েছে এবং তারা গোলাগুলি বন্ধে একমত হয়েছে। তবে সমঝোতার মধ্যেও সতর্ক অবস্থান নিয়েছে ইসরায়েল। দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, যদি হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে রকেট হামলা অব্যাহত থাকে, তাহলে বৈরুতের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানও চলবে। পাশাপাশি সীমান্তবর্তী অঞ্চলে তাদের নির্ধারিত সামরিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার কথাও জানিয়েছেন তিনি।


এদিকে যুদ্ধবিরতির আলোচনা চলাকালেও সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনা কমেনি। উত্তর ইসরায়েলের কয়েকটি এলাকায় ড্রোন ও রকেট হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। জবাবে ইসরায়েলও লেবাননের অভ্যন্তরে বিমান হামলা চালিয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে 

অন্যদিকে, লেবাননে সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকলে বৃহত্তর আঞ্চলিক পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে বলে সতর্ক করেছে ইরান। দেশটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘিত হলে চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টাও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।


বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক এই সমঝোতা মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত পরিস্থিতি প্রশমনে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে পারে। তবে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য উভয় পক্ষের প্রতিশ্রুতি বাস্তবে কতটা কার্যকর হয়, সেটিই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।


সূত্র: বিবিসি

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯