২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে ফ্রিল্যান্সিং ও ডিজিটাল কনটেন্ট ক্রিয়েশন থেকে অর্জিত আয় সম্পূর্ণ করমুক্ত করার প্রস্তাব আসতে পারে

আজাদ কাশ্মীরে পুলিশ-বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষে নিহত ৭, আহত ২৩ পুলিশ

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ৯ জুন ২০২৬, দুপুর ১০:০ সময় , আপডেট সময় : ৯ জুন ২০২৬, দুপুর ১০:০ সময়

২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে ফ্রিল্যান্সিং ও ডিজিটাল কনটেন্ট ক্রিয়েশন থেকে অর্জিত আয় সম্পূর্ণ করমুক্ত করার প্রস্তাব আসতে পারে বলে জানা গেছে। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, ডিজিটাল অর্থনীতির সম্প্রসারণ, তরুণ উদ্যোক্তা তৈরি এবং প্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্থান বাড়াতে এই উদ্যোগগুলো নেওয়া হচ্ছে।


প্রস্তাব অনুযায়ী, ফ্রিল্যান্সিং, ইউটিউব, ফেসবুকসহ বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে অর্জিত আয় আয়করের বাইরে রাখা হতে পারে। এতে দেশের বিপুলসংখ্যক ফ্রিল্যান্সার ও কনটেন্ট নির্মাতা উপকৃত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া নতুন স্টার্টআপ এবং প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবসার ক্ষেত্রে টার্নওভার ট্যাক্স শূন্য শতাংশ নির্ধারণের বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে। এতে নতুন উদ্যোক্তাদের প্রাথমিক আর্থিক চাপ কমবে বলে মনে করা হচ্ছে।


ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্যও করসীমা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। বর্তমানে ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত টার্নওভার আয় করমুক্ত থাকলেও নারী ও প্রতিবন্ধী উদ্যোক্তাদের ক্ষেত্রে এই সীমা ৭০ লাখ টাকা পর্যন্ত উন্নীত করার প্রস্তাব বিবেচনায় রয়েছে। এছাড়া ঢাকা ও চট্টগ্রামের বাইরে উৎপাদনমুখী শিল্প, প্রযুক্তি ও পর্যটন খাতে বিনিয়োগে ত্বরান্বিত অবচয় সুবিধা দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রথম বছরে ৬০ শতাংশ এবং দ্বিতীয় বছরে ৪০ শতাংশ হারে অবচয় সুবিধা দেওয়া হতে পারে।


তবে এসব প্রস্তাব এখনো চূড়ান্ত হয়নি। বাজেট ঘোষণার সময় আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত জানানো হবে। অন্যদিকে, পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত আজাদ কাশ্মীরের (Azad Kashmir) রাওয়ালকোটে (Rawalakot) সদ্য নিষিদ্ধ ঘোষিত যৌথ আওয়ামী অ্যাকশন কমিটি (জেএএসি)–সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে অন্তত সাতজন বেসামরিক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।


রোববারের (৭ জুন) এ ঘটনায় ২৩ জন পুলিশ সদস্যও আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন এজেকে পুলিশের মহাপরিদর্শক লিয়াকত আলী মালিক। সরকারি সূত্র জানায়, সংঘর্ষের পর রোববার গভীর রাতে ৩০ জনকে আটক করা হয়েছে। রাওয়ালকোটে কয়েক দিন ধরে সহিংস বিক্ষোভ চলছে। এর আগের দিন শনিবার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অন্তত চার সদস্য নিহত হন।


কর্তৃপক্ষের দাবি, রোববার বিক্ষোভকারীরা রাওয়ালকোটের কম্বাইন্ড মিলিটারি হাসপাতাল (Combined Military Hospital Rawalakot)–এ হামলা চালান। তবে এ বিষয়ে স্বাধীনভাবে তাৎক্ষণিকভাবে যাচাই করা যায়নি। উত্তেজনার সূত্রপাত হয় গত শুক্রবার রাতে। সেদিন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষের সময় এক ব্যবসায়ী গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন বলে অভিযোগ রয়েছে। তার মৃত্যুকে কেন্দ্র করেই পরিস্থিতি আরও অবনতির দিকে যায়।


প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে গেলে উভয় পক্ষের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ শুরু হয়। দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণ পুলিশ লাঠিচার্জ ও টিয়ার গ্যাস ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। জবাবে বিক্ষোভকারীরা পাথর নিক্ষেপ করেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের আশঙ্কা, প্রকৃত হতাহতের সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে। পুরো এলাকায় মোবাইল ডেটা সেবা বন্ধ থাকায় তথ্যপ্রবাহ সীমিত রয়েছে।


সূত্র: দ্য ডন

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯