দেশে হামের প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার তিন মাস পার হলেও আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখনো উল্লেখযোগ্য হারে কমছে না। বিশেষজ্ঞদের

হামে সংক্রমণ হাজারের আশপাশেই থাকছে

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ১৮ জুন ২০২৬, সকাল ৯:৫৯ সময় , আপডেট সময় : ১৮ জুন ২০২৬, সকাল ৯:৫৯ সময়

দেশে হামের প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার তিন মাস পার হলেও আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখনো উল্লেখযোগ্য হারে কমছে না। বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিস্থিতিতে কিছুটা উন্নতি দেখা গেলেও এখন হাসপাতালে আসা বেশিরভাগ রোগীই বিভিন্ন জটিলতা নিয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে রোগীরা ঠান্ডা-কাশি, শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া, সেপসিস এবং ত্বকে জটিল র‍্যাশসহ নানা সমস্যায় ভুগছেন। বিশেষ করে যেসব শিশু আগে সংক্রমিত হয়েছিল, তাদের মধ্যেই এখন জটিলতা বেশি দেখা দিচ্ছে।


রাজধানীর ডিএনসিসি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা এক শিশুর ক্ষেত্রে দেখা গেছে, শুরুতে জ্বর-সর্দি ও পরে র‍্যাশ দেখা দেওয়ার পর একাধিক হাসপাতালে ঘুরেও নিশ্চিত চিকিৎসা পাওয়া যায়নি। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে আবার হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে প্রতিদিন গড়ে প্রায় এক হাজারের কাছাকাছি রোগী হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে আসছে। যদিও নিশ্চিত সংক্রমণের হার কিছুটা কমেছে বলে জানা গেছে।


তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, মার্চের মাঝামাঝি সময় থেকে এখন পর্যন্ত সন্দেহজনক হামের রোগীর সংখ্যা প্রায় ৮৮ হাজার ছাড়িয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিত আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১০ হাজারের বেশি। একই সময়ে উপসর্গসহ মোট রোগীর সংখ্যা প্রায় এক লাখে পৌঁছেছে। চিকিৎসকদের মতে, নতুন সংক্রমণ কিছুটা কমলেও আগে আক্রান্তদের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি জটিলতা দেখা দিচ্ছে। শিশু রোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, হামের পর কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল থাকে, ফলে নিউমোনিয়া ও অন্যান্য সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে।


ঢাকার একটি শিশু হাসপাতালের অধ্যাপক জানিয়েছেন, টিকাদান কর্মসূচির কারণে নতুন সংক্রমণ কমতে শুরু করেছে, যা একটি ইতিবাচক দিক। তবে অসচেতনতার কারণে এখনো অনেক শিশু টিকা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, যা ভবিষ্যতে ঝুঁকি বাড়াতে পারে। অন্যদিকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে। এ পর্যন্ত হামে মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় শতাধিক ছাড়িয়েছে এবং উপসর্গজনিত মৃত্যুও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। স্বাস্থ্য খাতের বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, টিকাদান কার্যক্রম আরও জোরদার করা গেলে আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিকের দিকে যেতে পারে।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯