রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাকে আরও আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে বড় উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ। সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে

যানজট নিরসন: রাজধানীতে বসছে আরও ২০০ এআই ক্যামেরা

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ৯ জুলাই ২০২৬, সকাল ৯:৩৭ সময় , আপডেট সময় : ৯ জুলাই ২০২৬, সকাল ৯:৩৭ সময়

রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাকে আরও আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে বড় উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ। সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে আগামী কয়েক মাসের মধ্যে ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন স্থানে আরও ২০০টি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক নজরদারি ক্যামেরা স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ঢাকা মহানগর পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে রাজধানীর ১৬টি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে ৩৭টি বুদ্ধিমান ক্যামেরা এবং বিভিন্ন স্থানে ৮০টি ঘূর্ণনক্ষম নজরদারি ক্যামেরার মাধ্যমে যান চলাচল পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। নতুন পরিকল্পনার আওতায় মতিঝিল, উত্তরা, শাহবাগ থেকে আবদুল্লাহপুর ভিআইপি সড়ক, পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ে এবং মিরপুর এলাকায় পর্যায়ক্রমে নতুন ক্যামেরা বসানো হবে।


জানা গেছে, আগামী আগস্টের মধ্যে প্রথম ধাপের কাজ এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে পূর্বাচল এক্সপ্রেসওয়ে এলাকায় ক্যামেরা স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে। ধাপে ধাপে পুরো রাজধানীকে এই প্রযুক্তির আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনা স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করা হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট যানবাহনের নিবন্ধনের তথ্য সংগ্রহ করে যাচাই শেষে আইন অনুযায়ী নোটিশ পাঠানো হবে। পাশাপাশি খুদে বার্তার মাধ্যমেও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে বিষয়টি জানানো হবে।


উন্নত এই ক্যামেরাগুলো চারদিকে ঘুরে চলমান যানবাহনের গতিবিধি অনুসরণ করতে পারে। দূর থেকেও নম্বরপ্লেট স্পষ্টভাবে শনাক্ত করার সক্ষমতা থাকায় আইন ভঙ্গকারীদের সহজেই চিহ্নিত করা সম্ভব হচ্ছে। ঢাকা মহানগর পুলিশের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ‘স্মার্ট পুলিশিং’ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ভবিষ্যতে রাজধানীজুড়ে উন্নত নজরদারি ব্যবস্থা, মুখমণ্ডল শনাক্তকারী ক্যামেরা এবং আধুনিক ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ প্রযুক্তি চালু করা হবে। এজন্য পুরো শহরে প্রায় ১২ হাজার নজরদারি ক্যামেরার প্রয়োজন হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।


বর্তমানে রাজধানীর অল্প কিছু এলাকায় এই প্রযুক্তি চালু থাকলেও এরই মধ্যে ট্রাফিক আইন অমান্যের ঘটনায় দেড় হাজারের বেশি মামলা হয়েছে। সবচেয়ে বেশি মামলা হয়েছে বাসের বিরুদ্ধে। লেন পরিবর্তনের নিয়ম না মানা, সড়কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি এবং নির্ধারিত স্থানে না থামার মতো অপরাধে অধিকাংশ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ব্যক্তিগত গাড়ির বিরুদ্ধেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মামলা হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যেসব এলাকায় এখনো কার্যকর ট্রাফিক সংকেত ব্যবস্থা নেই, সেখানে সংকেত অমান্যের অভিযোগে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯