পটুয়াখালীর বাউফলে দাখিল দশম শ্রেণির চলতি প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষা শুরুর আগেই প্রশ্নপত্র ও বিশেষ সাজেশন ইউটিউবে ছড়িয়ে পড়ার অভিযোগ

ইউটিউবে মাদ্রাসার প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ১১ জুলাই ২০২৬, দুপুর ৩:২৩ সময় , আপডেট সময় : ১১ জুলাই ২০২৬, দুপুর ৩:২৩ সময়

পটুয়াখালীর বাউফলে দাখিল দশম শ্রেণির চলতি প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষা শুরুর আগেই প্রশ্নপত্র ও বিশেষ সাজেশন ইউটিউবে ছড়িয়ে পড়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, পরীক্ষার আগের দিন থেকেই বিভিন্ন পরিচিত প্রকাশনীর নাম ও লোগো ব্যবহার করে ইউটিউবে সংশ্লিষ্ট বিষয়ের প্রশ্নপত্র প্রকাশ করা হচ্ছে। পরে পরীক্ষার হলে পাওয়া প্রশ্নের সঙ্গে সেসব প্রশ্নের মিল পাওয়ার দাবি করেছেন একাধিক ব্যক্তি।


স্থানীয় সূত্র জানায়, পরীক্ষার আগের দিন ইউটিউবে সংশ্লিষ্ট বিষয়ের নাম লিখে খুঁজলেই একটি চ্যানেলে বিভিন্ন বিষয়ের কথিত প্রশ্নপত্র দেখা যায়। ভিডিওগুলোর শিরোনাম ও প্রচ্ছদে শতভাগ কমন, নিশ্চিত পাস কিংবা আসল প্রশ্নের মতো আকর্ষণীয় দাবি করা হয়। স্থানীয় এক বাসিন্দা অভিযোগ করেন, পরিচিত এক পরীক্ষার্থীর জন্য পরীক্ষার আগের দিন ইউটিউব থেকে সংগ্রহ করা ইংরেজি প্রথম পত্রের প্রশ্ন পরদিন পরীক্ষার মূল প্রশ্নের সঙ্গে হুবহু মিলে যায়। তার দাবি, এমন ঘটনা শিক্ষাব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং দ্রুত তদন্ত হওয়া উচিত।


নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মাদ্রাসা শিক্ষক বলেন, এ ধরনের ঘটনার কারণে অনেক শিক্ষার্থী নিয়মিত পড়াশোনার পরিবর্তে কথিত প্রশ্নের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে। এতে মেধা বিকাশ বাধাগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি শর্টকাট নির্ভর মানসিকতা তৈরি হচ্ছে। সচেতন মহলের দাবি, প্রশ্নপত্র কীভাবে আগেই ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ছে, তা খতিয়ে দেখতে হবে। এর পেছনে কোনো চক্র জড়িত থাকলে তাদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে শিক্ষা বোর্ড, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সাইবার অপরাধ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বিত তদন্তেরও দাবি উঠেছে।


এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আকরাম খান বলেন, বিষয়টি তার জানা নেই। সুনির্দিষ্ট তথ্য বা প্রমাণ পেলে যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে। অন্যদিকে উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার নুর নবী বলেন, অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিজেরা প্রশ্ন প্রণয়ন না করে সমিতির মাধ্যমে প্রশ্ন সংগ্রহ করে। তার ধারণা, সেখান থেকেই কোনোভাবে প্রশ্ন বাইরে চলে যেতে পারে। তবে বিষয়টি তদন্তের মাধ্যমেই নিশ্চিত হওয়া সম্ভব।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯