নরসিংদীতে তিন মাস বয়সী এক শিশুর পা ভেঙে দেওয়ার দাবি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি বিভ্রান্তিকর বলে

৩ মাসের শিশুর পা ভাঙার ভিডিওটি এআই দিয়ে বানানো, জানাল পুলিশ ও পরিবার

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ১৫ জুলাই ২০২৬, দুপুর ১০:০ সময় , আপডেট সময় : ১৫ জুলাই ২০২৬, দুপুর ১০:০ সময়

নরসিংদীতে তিন মাস বয়সী এক শিশুর পা ভেঙে দেওয়ার দাবি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি বিভ্রান্তিকর বলে জানিয়েছে পুলিশ। তদন্ত শেষে পুলিশ নিশ্চিত করেছে, শিশুটির পা ভাঙেনি; কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির সাহায্যে ভিডিওটি বিকৃত করে অতিরঞ্জিতভাবে প্রচার করা হয়েছে। ঘটনাটি গত ১১ জুন নরসিংদী সদর উপজেলার একটি গ্রামে ঘটে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, জন্মের পর থেকেই অসুস্থ থাকায় শিশুটি দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন ছিল। এ সময় পরিবারের গৃহস্থালির কাজের বাড়তি চাপকে কেন্দ্র করে স্বজনদের মধ্যে মনোমালিন্যের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে ক্ষোভের বশে শিশুটির পায়ে মোচড় দেওয়ার একটি দৃশ্য মোবাইল ফোনে ধারণ করা হয়।


পরে সেই ভিডিও সম্পাদনা করে শিশুটির পা ভেঙে দেওয়া হয়েছে—এমন দাবি ছড়িয়ে দেওয়া হলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম নেয়। বিষয়টি নজরে এলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে সরাসরি পরীক্ষা করে এবং তার পরিবারের সঙ্গে কথা বলে। শিশুর বাবা ও মা পুলিশকে জানান, ভাইরাল ভিডিওটি সম্পাদিত এবং বাস্তবে তাদের সন্তানের পা ভাঙেনি। শিশুটির শরীরে কোনো ধরনের প্লাস্টার বা ব্যান্ডেজও নেই। তারা আরও জানান, পারিবারিক বিরোধের ঘটনাটি পরে আত্মীয়স্বজনের উদ্যোগে মীমাংসা হয়ে গেছে। এ কারণে তারা কোনো আইনি অভিযোগ করেননি।


পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে সুস্থ অবস্থায় পাওয়া গেছে। তদন্তে পা ভাঙার কোনো প্রমাণ মেলেনি। পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে ধারণ করা ভিডিও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে বিকৃত করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব ছড়ানো হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ না থাকায় এ ঘটনায় কোনো আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯