সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একাধিক ব্যক্তিগত ভিডিওকে ঘিরে নতুন বিতর্কে পড়েছেন সাতক্ষীরা-৪ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য গাজী

জামায়াতের এমপি নজরুলের বিয়ের কাবিননামা নিয়ে ধূম্রজাল, গোমর ফাঁস করলেন কাজী

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ২২ জুলাই ২০২৬, সকাল ৯:৫৬ সময় , আপডেট সময় : ২২ জুলাই ২০২৬, সকাল ৯:৫৬ সময়

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একাধিক ব্যক্তিগত ভিডিওকে ঘিরে নতুন বিতর্কে পড়েছেন সাতক্ষীরা-৪ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম। ভিডিও প্রকাশের পর তিনি মরিয়ম খাতুন নামে এক তরুণীকে নিজের দ্বিতীয় স্ত্রী বলে দাবি করলেও, প্রকাশ্যে আসা কাবিননামা ও সংশ্লিষ্ট তথ্য নিয়ে তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন। সংসদ সদস্য, তার প্রথম স্ত্রী, মরিয়ম খাতুন এবং কনের বাবা পৃথক ভিডিও বার্তায় দাবি করেন, গত ১৭ জুন পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে।


তবে কাবিননামাটি নিবন্ধনকারী কাজীর বক্তব্যে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কাজী জানান, বিয়ে কোথায় বা কীভাবে সম্পন্ন হয়েছে, সে বিষয়ে তার কোনো প্রত্যক্ষ ধারণা নেই। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ভাইরাল ঘটনার পর ঢাকা থেকে ফোনে যোগাযোগ করে বিয়ের তথ্য দেওয়া হয় এবং সেই তথ্যের ভিত্তিতেই কাবিননামা প্রস্তুত করা হয়। তিনি আরও দাবি করেন, পরে কনে ও তার অভিভাবক এসে কাবিননামায় স্বাক্ষর করেন। বিয়ের তারিখ ১৭ জুন উল্লেখ করার বিষয়টিও তাকে ফোনের মাধ্যমে জানানো হয়েছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন। বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, এতে তিনি নিজেও সমস্যায় পড়তে পারেন।


এদিকে একটি ফ্যাক্ট-চেকিং প্রতিষ্ঠানের সংগ্রহ করা একটি জীবনবৃত্তান্তে দেখা গেছে, বিয়ের দাবিকৃত সময়ের কয়েক দিন পরও ওই তরুণীর বৈবাহিক অবস্থা ‘অবিবাহিত’ হিসেবে উল্লেখ ছিল। একই নথিতে সংসদ সদস্যের সুপারিশও রয়েছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। তবে এ বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া আরেকটি ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন ব্যক্তি একটি কক্ষে সংসদ সদস্যকে বিভিন্ন প্রশ্ন করছেন। ভিডিওটির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।


ঘটনাটি নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর ভেতরেও আলোচনা শুরু হয়েছে। দলটির কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সাংগঠনিক বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উল্লেখ্য, এই ঘটনায় বিভিন্ন পক্ষের ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য সামনে এসেছে। বিষয়টি নিয়ে এখনো কোনো বিচারিক বা আনুষ্ঠানিক তদন্তের চূড়ান্ত ফল প্রকাশিত হয়নি।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯