ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনির অবস্থান ও শারীরিক অবস্থা নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদপত্রের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, তার অবস্থান শনাক্ত করতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো যৌথভাবে নজরদারি কার্যক্রম জোরদার করেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে মোজতবা খামেনি খুব কমই জনসমক্ষে এসেছেন। নিরাপত্তাজনিত কারণে তিনি ডিজিটাল যোগাযোগ সীমিত রেখেছেন এবং কঠোর নিরাপত্তাবেষ্টিত কোনো স্থানে অবস্থান করছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রকাশিত তথ্যে আরও বলা হয়েছে, প্রচলিত সাইবার নজরদারির পাশাপাশি মানবসূত্রভিত্তিক গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহে এখন বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। কারণ তিনি মোবাইল ফোন, কম্পিউটার বা অন্যান্য ইলেকট্রনিক যোগাযোগব্যবহার এড়িয়ে চলছেন বলে সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, বার্তাবাহকের মাধ্যমে যোগাযোগের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে এ বিষয়ে কোনো স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য বা প্রমাণ প্রকাশ করা হয়নি। অন্যদিকে, কিছু পশ্চিমা বিশ্লেষকের মতে, মোজতবা খামেনির বর্তমান অবস্থান ও কর্মকাণ্ড সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্যের অভাব রয়েছে। যদিও ইরানি কর্তৃপক্ষ দাবি করে আসছে, তিনি নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছেন। তবে সেই দাবিও স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বকে ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার কারণে নির্ভরযোগ্য তথ্য সংগ্রহ করা অত্যন্ত কঠিন। ফলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও বিশ্লেষকদের প্রকাশিত অনেক তথ্যই এখনো যাচাইয়ের অপেক্ষায় রয়েছে।