দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আবারও ছাত্ররাজনীতি ঘিরে সহিংসতার ঘটনা বেড়েছে। গত তিন দিনে দেশের অন্তত ১৩টি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে

ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ ১৩ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছড়িয়েছে

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ৬ আগস্ট ২০২৬, সকাল ৯:১৯ সময় , আপডেট সময় : ৬ আগস্ট ২০২৬, সকাল ৯:১৯ সময়

দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আবারও ছাত্ররাজনীতি ঘিরে সহিংসতার ঘটনা বেড়েছে। গত তিন দিনে দেশের অন্তত ১৩টি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে সংঘর্ষ, ভাঙচুর এবং অস্ত্র প্রদর্শনের ঘটনায় দুই শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো। আহতদের মধ্যে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, সাংবাদিক, ছাত্রনেতা এবং বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতাকর্মীরা রয়েছেন। একাধিক স্থানে লাঠিসোঁটা, রড ও দেশীয় অস্ত্র ব্যবহারের পাশাপাশি হাসপাতালের ভেতরেও হামলার অভিযোগ উঠেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কয়েকটি ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।


সংঘর্ষের ঘটনাগুলো ঘটেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজ, সরকারি গ্রাফিক আর্টস ইনস্টিটিউট, ঢাকা ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারি ব্রজমোহন কলেজ, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারি বাঙলা কলেজ, সরকারি তিতুমীর কলেজ এবং সরকারি তোলারাম কলেজে। জানা গেছে, বিভিন্ন স্থানে কর্মসূচি, আবাসিক হলের নিয়ন্ত্রণ, বহিরাগত প্রবেশ এবং আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা তৈরি হয়। পরে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ করেছে।


জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া বিরোধ সংঘর্ষে রূপ নিলে বহু শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও সাংবাদিক আহত হন। পরে চিকিৎসাধীনদের ওপর হামলার অভিযোগও ওঠে। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। ঢাকা কলেজ, সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা, সরকারি গ্রাফিক আর্টস ইনস্টিটিউট, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারি ব্রজমোহন কলেজ, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। কয়েকটি স্থানে আবাসিক হল থেকে শিক্ষার্থীদের বের করে দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।


এসব ঘটনার পর সাধারণ শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে অস্ত্র ও পেশিশক্তিনির্ভর রাজনীতি বন্ধের দাবি জানিয়েছেন। তাদের ভাষ্য, শিক্ষাঙ্গনে নিরাপদ পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি উসকানিমূলক পোস্ট ঘিরেও আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। পাশাপাশি কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘর্ষের পর একই মঞ্চে বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতাদের অংশগ্রহণে কর্মসূচিও অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯