আসন্ন ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির পক্ষ থেকে কে প্রার্থী হচ্ছেন, তা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে চূড়ান্ত হয়নি। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠক শেষে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান নূরুল ইসলাম মনি।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে সামনে রেখে মঙ্গলবার সকাল ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবনে সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের বৈঠক শুরু হয়। বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ পদ্ধতি ও বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন চিফ হুইপ। নূরুল ইসলাম মনি জানান, সংসদ নেতা, বিরোধীদলীয় নেতা ও স্পিকারের উপস্থিতিতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোট অনুষ্ঠিত হবে। গণমাধ্যমকর্মীদের উপস্থিতিতে ভোটগ্রহণ কার্যক্রম পরিচালিত হবে। ফলাফল ঘোষণা না হওয়া পর্যন্ত সরাসরি সম্প্রচারের সুযোগও থাকবে।
তিনি বলেন, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট হবে। জাতীয় সংসদ ভবনেই ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে এবং সংসদ সদস্যরা নিজেদের জাতীয় আসন নম্বর অনুযায়ী ভোট দেবেন। দলীয় সিদ্ধান্তের বিষয়েও কঠোর অবস্থানের কথা জানান চিফ হুইপ। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, দলের সিদ্ধান্তের বাইরে কোনো সংসদ সদস্য ভোট দিতে পারবেন না। কেউ দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে ভোট দিলে তাঁর সংসদ সদস্য পদ থাকবে না।
এদিকে নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ১৩ আগস্ট সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই হবে ১৬ আগস্ট। আর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৮ আগস্ট। সবশেষে আগামী ২০ আগস্ট জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ওইদিন দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোট নেওয়া হবে। তবে ভোটের দিন যতই এগিয়ে আসছে, ততই আলোচনায় আসছে বিএনপির রাষ্ট্রপতি প্রার্থী কে হচ্ছেন—এই প্রশ্ন। এখন পর্যন্ত দলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো নাম ঘোষণা না হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জল্পনা অব্যাহত রয়েছে।