শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে ইন্দোনেশিয়া। শনিবার ১৫ আগস্ট ভোরে দেশটির পূর্ব নুসা তেংগারা প্রদেশের নাগেওকেও এলাকার কাছে আঘাত

৭.৭ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্পে কাঁপল ইন্দোনেশিয়া

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ১৫ আগস্ট ২০২৬, সকাল ৯:৪০ সময় , আপডেট সময় : ১৫ আগস্ট ২০২৬, সকাল ৯:৪০ সময়

শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছে ইন্দোনেশিয়া। শনিবার ১৫ আগস্ট ভোরে দেশটির পূর্ব নুসা তেংগারা প্রদেশের নাগেওকেও এলাকার কাছে আঘাত হানে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প। এরপরও বেশ কয়েকবার ভূমিকম্প পরবর্তী কম্পন বা আফটারশকে কেঁপে ওঠে বিভিন্ন এলাকা। স্থানীয় সময় ভোর ৪টা ৫৮ মিনিটের দিকে ফ্লোরেস অঞ্চলে ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়। এর উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে মাত্র ১৫ কিলোমিটার গভীরে। নাগেওকেওর মবায়ে শহর থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে ছিল ভূমিকম্পের কেন্দ্র।


ভূমিকম্পের তীব্রতায় বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত ও ধসে পড়েছে বলে জানা গেছে। এখন পর্যন্ত দুজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। তবে ভূমিকম্পে মোট ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহতের পূর্ণাঙ্গ চিত্র এখনও স্পষ্ট নয়। উদ্ধার ও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের কাজ চলছে। শক্তিশালী এই ভূমিকম্পের পর সম্ভাব্য সুনামি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। পূর্ব নুসা তেংগারা, দক্ষিণ সুলাওয়েসি ও পশ্চিম নুসা তেংগারা প্রদেশে সতর্কতা জারি করা হয়েছিল।


ইন্দোনেশিয়ার আবহাওয়া, জলবায়ু ও ভূ-পদার্থবিজ্ঞান সংস্থা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে। পরে সুনামির ঝুঁকি পর্যালোচনা করে সতর্কতা প্রত্যাহার করা হয়। ফলে প্রাথমিক আতঙ্ক কিছুটা কমলেও শক্তিশালী ভূমিকম্প ও পরবর্তী কম্পনের কারণে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ রয়ে গেছে। ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল অগভীর হওয়ায় এর কম্পন তুলনামূলকভাবে বেশি তীব্রভাবে অনুভূত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষ করে কেন্দ্রের কাছাকাছি এলাকায় ভবন ও স্থাপনায় ক্ষয়ক্ষতির ঝুঁকি বেড়ে যায়।


ইন্দোনেশিয়া বিশ্বের অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চল। দেশটি একাধিক ভূতাত্ত্বিক প্লেটের সংযোগস্থলের কাছে অবস্থিত হওয়ায় সেখানে প্রায়ই ভূমিকম্প অনুভূত হয়। তবে এবারের ৭ দশমিক ৭ মাত্রার কম্পন এবং পরবর্তী আফটারশক পরিস্থিতিকে নতুন করে আলোচনায় এনেছে। কর্তৃপক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। একই সঙ্গে পরবর্তী কম্পন বা নতুন কোনো ঝুঁকি তৈরি হয় কি না, সেদিকেও নজর রাখা হচ্ছে।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯