জাতীয় অর্থনীতিতে কুটির, অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতের অবদান ৫০ শতাংশে উন্নীত করতে সরকার কাজ করছে বলে

জাতীয় অর্থনীতিতে সিএমএসএমই খাতের অবদান ৫০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ২২ আগস্ট ২০২৬, বিকাল ৬:০ সময় , আপডেট সময় : ২২ আগস্ট ২০২৬, বিকাল ৬:০ সময়

জাতীয় অর্থনীতিতে কুটির, অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতের অবদান ৫০ শতাংশে উন্নীত করতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প, পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। বর্তমানে দেশের অর্থনীতিতে এই খাতের অবদান প্রায় ৩৪ শতাংশ বলে জানান তিনি। শনিবার সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের উদ্যোগে নতুন একটি প্রদর্শনী ও বিক্রয়কেন্দ্র উদ্বোধনের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।


খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, সরকারের প্রধান লক্ষ্য হলো জাতীয় অর্থনীতিতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের অবদান ধীরে ধীরে বাড়িয়ে ৫০ শতাংশে নিয়ে যাওয়া। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও জ্বালানি সংকট বিবেচনায় নিয়ে বেশি জ্বালানি নির্ভর শিল্পের পরিবর্তে স্বল্প বিনিয়োগের এবং পরিবেশবান্ধব ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। মন্ত্রী বলেন, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের বিকাশের মাধ্যমে একদিকে যেমন কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে, অন্যদিকে দেশের শিল্প খাতও আরও টেকসই ও স্থিতিশীল হবে।


শিল্প খাতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সৌরবিদ্যুতের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার কথাও জানান তিনি। তাঁর মতে, দেশে প্রতিদিন সাড়ে তিন থেকে চার ঘণ্টা সৌরশক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার করা সম্ভব। এর সঙ্গে বিদ্যুৎ সংরক্ষণের ব্যবস্থা যুক্ত করা গেলে সন্ধ্যার ব্যস্ত সময়েও সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার করে চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে। সরকার ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে বলেও জানান মন্ত্রী। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে শিল্পাঞ্চলে বিদ্যুৎ ঘাটতি ও লোডশেডিংয়ের সমস্যা অনেকটাই কমে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।


এ ছাড়া শিল্পাঞ্চল ও শিল্প প্লটে গ্যাসের পাশাপাশি বিকল্প জ্বালানি ব্যবহারের একটি পরিকল্পনা তৈরির কথাও জানান মন্ত্রী। এর মধ্যে ধানের তুষ ও কয়লা ব্যবহারের বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। এদিকে, সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে চালু হওয়া নতুন প্রদর্শনী ও বিক্রয়কেন্দ্রে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত ঐতিহ্যবাহী ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পপণ্য প্রদর্শন ও বিক্রির সুযোগ থাকবে। সংশ্লিষ্টদের আশা, এই উদ্যোগের মাধ্যমে সিলেটের স্থানীয় উদ্যোক্তাদের পণ্য দেশ-বিদেশে পরিচিত হওয়ার পাশাপাশি নতুন বাজার তৈরি ও বিদ্যমান বাজার সম্প্রসারণে সহায়তা করবে। অনুষ্ঠানে সিলেটের বিভিন্ন পর্যায়ের জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯