দিনাজপুর সদর উপজেলার পুলহাট বিসিক এলাকায় একটি রাইস মিলের গুদাম থেকে অবৈধভাবে মজুদ করা ২১৭ বস্তা রাসায়নিক সার জব্দ করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় মিলের মালিক মনোহর আলমকে ১ মাস ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। অর্থদণ্ডের টাকা পরিশোধ না করলে তাকে আরও ১৫ দিনের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
বুধবার দুপুর ২টার দিকে পুলহাট বিসিক এলাকার মেসার্স ফুয়াদ ইন্ডাস্ট্রিজ রাইস মিলের গুদামে অভিযান চালানো হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে ১৭০ বস্তা ইউরিয়া ও ৪৭ বস্তা ডিএপি সার পাওয়া যায়। জব্দ করা সারের বাজারমূল্য প্রায় ২ লাখ ২৯ হাজার ৫০০ টাকা। অভিযানকারীরা জানান, গুদামে তল্লাশি চালিয়ে সারগুলো পাওয়ার পর বৈধ কাগজপত্র দেখাতে বলা হয়। কিন্তু মিলের মালিক মনোহর আলম কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি অবৈধভাবে সার মজুদের কথা স্বীকার করেন।
পরে ঘটনাস্থলেই ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে তাকে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন দিনাজপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুহুল আমিন শরীফ। তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুদ করা ১৭০ বস্তা ইউরিয়া ও ৪৭ বস্তা ডিএপি সার উদ্ধার করা হয়েছে। মিল মালিক অবৈধভাবে সার মজুদের কথা স্বীকার করায় তাকে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
জব্দ করা সার সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়েছে। কৃষকদের স্বার্থে সরকারি নির্ধারিত মূল্যে এসব সার বিক্রি করে প্রাপ্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অভিযানে সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মাসুম তুষার, কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নুরুন্নবীসহ কৃষি বিভাগ ও পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।