যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের চলমান সংঘাতের প্রকৃত ব্যয় নিয়ে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট যুদ্ধের ব্যয় ও তেল পরিবহন নিয়ে যে তথ্য দিয়েছেন, তা মিথ্যা বলে অভিযোগ করেছেন ইরানের সংসদ স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় গালিবাফ মার্কিন কর্মকর্তার বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করেন। এর আগে স্কট বেসেন্ট দাবি করেছিলেন, কৌশলগত এই জলপথ দিয়ে ১৩ কোটি ব্যারেল তেল আন্তর্জাতিক বাজারে পাঠানো হয়েছে।
জবাবে ইরানি স্পিকার দাবি করেন, যুদ্ধের প্রকৃত ব্যয় জানতে মার্কিন কর্মকর্তাদের মুডি’সের প্রতিবেদন দেখা উচিত। তার দাবি, ওই প্রতিবেদনে যুদ্ধের ব্যয় ১৩ হাজার কোটি ডলারের বেশি দেখানো হয়েছে। গালিবাফ আরও অভিযোগ করেন, তেলের ভবিষ্যৎ বাজারে অবস্থান নেওয়ার কারণে একটি মার্কিন আর্থিক প্রতিষ্ঠান এক ধাক্কায় ১৩ কোটি ডলারের বেশি লোকসানের মুখে পড়েছে।
এ সময় মার্কিন অর্থনীতির বিভিন্ন দুর্বলতার দিকেও ইঙ্গিত করেন ইরানের সংসদ স্পিকার। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ঋণের সুদের হার বাড়ার বিষয়টি তুলে ধরে দেশটির অর্থনৈতিক চাপ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তবে যুদ্ধের প্রকৃত ব্যয়, তেল পরিবহনের পরিমাণ এবং আর্থিক ক্ষতির বিষয়ে দুই পক্ষের দাবির মধ্যে বড় ধরনের পার্থক্য রয়েছে। ফলে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতকে ঘিরে অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত চিত্র নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
সূত্র: ডন।