গণভোটের রায় ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন দাবি নিয়ে রাজপথে ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ। গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে সেই কর্মসূচির

‘এই লংমার্চ কোনো দলের নয়, ১৮ কোটি মানুষের দাবি আদায়ের লং মার্চ’

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সকাল ৯:৪২ সময় , আপডেট সময় : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সকাল ৯:৪২ সময়

গণভোটের রায় ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নসহ বিভিন্ন দাবি নিয়ে রাজপথে ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ। গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে সেই কর্মসূচির পথসভা থেকে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান জানালেন, এই কর্মসূচি কোনো একটি দলের নয়—তাঁদের ভাষ্য অনুযায়ী, এটি দেশের মানুষের দাবি আদায়ের আন্দোলন। 


শনিবার ১৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় ঢাকা থেকে রংপুর অভিমুখী লংমার্চের অংশ হিসেবে পলাশবাড়ী চৌমাথায় আয়োজিত পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন। শফিকুর রহমান বলেন, গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন করা হলে এই লংমার্চের প্রয়োজন হতো না। একইভাবে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ, কৃষকদের ন্যায্যমূল্যে পর্যাপ্ত সার দেওয়া এবং মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হলে তাঁদের রাজপথে নামতে হতো না বলে মন্তব্য করেন তিনি। 


তিনি আরও বলেন, সরকার যদি আট দফা দাবি মেনে নেয়, তাহলে বৃহত্তর আন্দোলনের প্রয়োজন হবে না। তবে দাবি বাস্তবায়ন না হলে বর্তমান আট দফা ধীরে ধীরে আরও বাড়তে পারে এবং শেষ পর্যন্ত এক দফার দাবিতে পরিণত হতে পারে বলে সতর্ক করেন তিনি। একইসঙ্গে তিনি বলেন, তাঁরা এখনই এক দফার আন্দোলন চান না; সরকারকে সময় দেওয়া হচ্ছে।  লংমার্চের পরবর্তী কর্মসূচির ইঙ্গিত দিয়ে জামায়াতের আমির বলেন, বর্তমানে কর্মসূচি ঢাকা থেকে রংপুরমুখী হলেও প্রয়োজন হলে বৃহত্তর লংমার্চের ডাক দেওয়া হতে পারে। সে ক্ষেত্রে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে গ্রাম থেকে ঢাকার দিকে কর্মসূচি হতে পারে বলেও তিনি উপস্থিত নেতাকর্মীদের প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান। 


পথসভায় দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও মানুষের নিরাপত্তা নিয়েও বক্তব্য দেন শফিকুর রহমান। তাঁর দাবি, বিভিন্ন স্থানে নারী ও শিশুরা নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। ঢাকা থেকে রংপুরে আসার পথে বিভিন্ন এলাকায় বহু মানুষ তাঁদের কর্মসূচির প্রতি সংহতি জানিয়েছেন বলেও তিনি দাবি করেন।  এর আগে ১৯ সেপ্টেম্বর সকালে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ থেকে রংপুরের উদ্দেশে ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ শুরু হয়। কর্মসূচিতে গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ-তেল-গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, দুর্নীতি-চাঁদাবাজি ও দখলদারি বন্ধ, আইনশৃঙ্খলার উন্নয়ন, দলীয়করণ বন্ধ এবং তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের মতো দাবি তুলে ধরা হয়েছে। 


পলাশবাড়ীর পথসভায় ১১ দলীয় ঐক্যের বিভিন্ন শরিক দলের নেতারাও বক্তব্য দেন। তাদের মধ্যে ছিলেন কর্নেল অবসরপ্রাপ্ত অলি আহমদ, মাওলানা মামুনুল হক, মিয়া গোলাম পরওয়ার, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, সাদিক কায়েম ও ফরহাদ হোসেনসহ অন্য নেতারা। 

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯