একদিকে কমলাপুর রেলস্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা যাত্রীবাহী ট্রেনে আগুন, অন্যদিকে রেলপথের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় নাশকতার আশঙ্কা—এমন পরিস্থিতিতে সারা দেশের স্টেশন ও রেল স্থাপনায় নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব জানিয়েছেন, নাশকতার সঙ্গে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না এবং জড়িতদের আইনের আওতায় এনে উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। রোববার ২০ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। এর আগে রাত সাড়ে ৯টার দিকে স্টেশনের ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে থাকা একটি যাত্রীবাহী ট্রেনের কোচে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা।
প্রতিমন্ত্রী জানান, রেল কর্তৃপক্ষ, রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী, পুলিশ, রেলওয়ে পুলিশ এবং প্রশাসনের কর্মকর্তাদের স্টেশন ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রেলস্টেশনে প্রবেশের সম্ভাব্য পথগুলো চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে স্টেশন এলাকায় সার্বক্ষণিক সিসি ক্যামেরা সচল রাখা এবং পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঘটনাটি মূল প্ল্যাটফর্মে ঘটেনি। ওয়াশ প্ল্যান্টের দিক থেকে ট্রেনটি আসার সময় সেখানে গানপাউডার ব্যবহার করে আগুন দেওয়া হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়লেও নিরাপত্তা বাহিনীর তৎপরতায় তা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শনের সময় সেখানে অন্ধকার থাকার বিষয়টিও উঠে এসেছে। ফলে ভবিষ্যতে এমন জায়গাগুলোতে আলোর ব্যবস্থা আরও জোরদার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রেলপথ প্রতিমন্ত্রী। তাকে রিমান্ডে নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানান তিনি। একই সঙ্গে নাশকতার সঙ্গে যারাই জড়িত থাকুক, তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার কথা জানিয়েছেন তিনি। তবে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মোট ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। প্রাথমিকভাবে একটি গ্যারেজ পুরোপুরি পুড়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী। বিস্তারিত ক্ষয়ক্ষতি তদন্ত শেষে জানা যাবে।
আরও নাশকতার আশঙ্কা রয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, যারা নাশকতা করতে চায় তারা চেষ্টা চালাতেই পারে। তবে প্রশাসন ও জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এসব কর্মকাণ্ড প্রতিহত করার কথা জানান তিনি। রেলপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এখন স্টেশন, রেললাইন এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে বাড়তি নজরদারি থাকবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে ট্রেনে আগুন দেওয়ার ঘটনায় রেল চলাচলে বড় ধরনের শিডিউল বিপর্যয় হবে না বলেও জানিয়েছেন রেলপথ প্রতিমন্ত্রী। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার কারণে প্রায় এক ঘণ্টা বিলম্ব হলেও বড় ধরনের সময়সূচি বিপর্যয়ের আশঙ্কা নেই। এখন তদন্তের মাধ্যমে আগুন দেওয়ার ঘটনায় কারা জড়িত এবং কী উদ্দেশ্যে এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে, সেটিই বের করার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি দেশের রেল যোগাযোগ নিরাপদ রাখতে স্টেশন ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হচ্ছে।একদিকে কমলাপুর রেলস্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা যাত্রীবাহী ট্রেনে আগুন, অন্যদিকে রেলপথের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় নাশকতার আশঙ্কা—এমন পরিস্থিতিতে সারা দেশের স্টেশন ও রেল স্থাপনায় নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব জানিয়েছেন, নাশকতার সঙ্গে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না এবং জড়িতদের আইনের আওতায় এনে উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। রোববার ২০ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। এর আগে রাত সাড়ে ৯টার দিকে স্টেশনের ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে থাকা একটি যাত্রীবাহী ট্রেনের কোচে আগুন দেয় দুর্বৃত্তরা।
প্রতিমন্ত্রী জানান, রেল কর্তৃপক্ষ, রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনী, পুলিশ, রেলওয়ে পুলিশ এবং প্রশাসনের কর্মকর্তাদের স্টেশন ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রেলস্টেশনে প্রবেশের সম্ভাব্য পথগুলো চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে স্টেশন এলাকায় সার্বক্ষণিক সিসি ক্যামেরা সচল রাখা এবং পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঘটনাটি মূল প্ল্যাটফর্মে ঘটেনি। ওয়াশ প্ল্যান্টের দিক থেকে ট্রেনটি আসার সময় সেখানে গানপাউডার ব্যবহার করে আগুন দেওয়া হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়লেও নিরাপত্তা বাহিনীর তৎপরতায় তা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শনের সময় সেখানে অন্ধকার থাকার বিষয়টিও উঠে এসেছে। ফলে ভবিষ্যতে এমন জায়গাগুলোতে আলোর ব্যবস্থা আরও জোরদার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রেলপথ প্রতিমন্ত্রী। তাকে রিমান্ডে নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানান তিনি। একই সঙ্গে নাশকতার সঙ্গে যারাই জড়িত থাকুক, তাদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার কথা জানিয়েছেন তিনি। তবে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মোট ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। প্রাথমিকভাবে একটি গ্যারেজ পুরোপুরি পুড়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী। বিস্তারিত ক্ষয়ক্ষতি তদন্ত শেষে জানা যাবে।
আরও নাশকতার আশঙ্কা রয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, যারা নাশকতা করতে চায় তারা চেষ্টা চালাতেই পারে। তবে প্রশাসন ও জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এসব কর্মকাণ্ড প্রতিহত করার কথা জানান তিনি। রেলপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এখন স্টেশন, রেললাইন এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে বাড়তি নজরদারি থাকবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে ট্রেনে আগুন দেওয়ার ঘটনায় রেল চলাচলে বড় ধরনের শিডিউল বিপর্যয় হবে না বলেও জানিয়েছেন রেলপথ প্রতিমন্ত্রী। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার কারণে প্রায় এক ঘণ্টা বিলম্ব হলেও বড় ধরনের সময়সূচি বিপর্যয়ের আশঙ্কা নেই। এখন তদন্তের মাধ্যমে আগুন দেওয়ার ঘটনায় কারা জড়িত এবং কী উদ্দেশ্যে এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে, সেটিই বের করার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি দেশের রেল যোগাযোগ নিরাপদ রাখতে স্টেশন ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হচ্ছে।