বাসে আগুন ও ককটেল হামলার ঘটনায় কারা জড়িত—তা জানতে জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদের দাবি জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনা সভায় তিনি এ দাবি জানান। তাঁর বক্তব্যের এই অংশটি একাধিক সংবাদমাধ্যমও প্রকাশ করেছে।
রাশেদ খান বলেন, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে বাসে আগুন ও ককটেল বিস্ফোরণের সঙ্গে কারা জড়িত, সে বিষয়ে তথ্য পাওয়া যেতে পারে। তবে এটি রাশেদ খানের অভিযোগ ও দাবি; নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে এ ঘটনায় জড়িত প্রমাণ করে এমন তথ্য এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি। জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে জাতীয়তাবাদী সমমনা জোট আয়োজিত ‘গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সরকার ও বিরোধী দলের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন রাশেদ খান। সেখানে তিনি দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও বিরোধী দলগুলোর কর্মসূচি নিয়েও কথা বলেন।
তিনি দাবি করেন, সরকারবিরোধী লংমার্চের বর্তমান কর্মসূচি স্বাভাবিক রাজনৈতিক কর্মসূচির ধরন থেকে ভিন্ন। পাশাপাশি জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি ও আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে সমন্বিতভাবে দেশের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার অভিযোগ তোলেন তিনি। রাশেদ খানের অভিযোগ, বাস ও ট্রেনে অগ্নিসংযোগ এবং ককটেল বিস্ফোরণের মতো কর্মকাণ্ডের সঙ্গে এসব রাজনৈতিক পক্ষের সম্পৃক্ততা রয়েছে। তবে এই দাবির পক্ষে তিনি যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা রাজনৈতিক অভিযোগ হিসেবেই এসেছে; স্বাধীনভাবে এর সত্যতা যাচাইয়ের তথ্য প্রতিবেদনে উল্লেখ নেই।
এর আগে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করেও রাশেদ খান প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন। পাটওয়ারীর বক্তব্যে বলা হয়েছিল, ১১ দলীয় জোটের দাবিগুলো সরকার মেনে নিলে ঢাকায় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা আর ঘটবে না। সেই বক্তব্যের পর রাশেদ খান তার বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে অভিযোগ তোলেন। এখন রাশেদ খানের নতুন বক্তব্যে মূলত নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আইনি প্রক্রিয়ায় জিজ্ঞাসাবাদের দাবি সামনে এসেছে। অন্যদিকে কোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার বা রিমান্ডে নেওয়ার সিদ্ধান্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও আদালতের আইনগত প্রক্রিয়ার বিষয়।