পহেলা জানুয়ারির ভূমিকম্পে জাপানে প্রাণহানির সংখ্যা ২০০ পেরিয়ে গেছে। ভূমিকম্পের দশম দিন বুধবার (১০ জানুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে

ভূমিকম্পে জাপানে প্রাণহানি পেরুলো ২০০, নিখোঁজ ৬৮

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ডেস্ক।

আপলোড সময় : ১০ জানুয়ারী ২০২৪, দুপুর ২:৪ সময় , আপডেট সময় : ১০ জানুয়ারী ২০২৪, দুপুর ২:৪ সময়
পহেলা জানুয়ারির ভূমিকম্পে জাপানে প্রাণহানির সংখ্যা ২০০ পেরিয়ে গেছে। ভূমিকম্পের দশম দিন বুধবার (১০ জানুয়ারি) সকাল ৯টার দিকে ২০৩ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে স্থানীয় প্রশাসন। তবে এখনো নিখোঁজ রয়েছেন আরও ৬৮ জন। প্রবল তুষারপাত উপেক্ষা করে এখন উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে যাবেচ্ছন উদ্ধারকর্মীরা।

দেশটির রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম এনএইচকে জানিয়েছে, ভূমিকম্পে মারা যাওয়া ২০৩ জনের মধ্যে সুজু সিটিতে ৯১ জনই ইশিকাওয়া প্রিফেকচারের সুজু সিটির বাসিন্দা। এছাড়া ওয়াজিমা সিটিতে ৮১ জন, আনামিজুতে ২০ জন, নানাও সিটিতে ৫ জন, নোতো উপদ্বীপে ৩ জন, শিগা সিটিতে ২ জন এবং হাকুই সিটিতে একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

এনএইচকে জানাচ্ছে, ভূমিকম্পের পর থেকে বুধবার সকাল ৯টা পর্যন্ত ইশিকাওয়া প্রিফেকচারে নিখোঁজ অধিবাসীর সংখ্যা নেমে ৬৮ জনে দাঁড়িয়েছে। একদিন আগে এই সংখ্যা ছিল ১২০ জন। এখনো ওয়াজিমা সিটিতে ৪৩ জন, সুজু সিটিতে ২০ জন, নোতো ও নানাও সিটিতে দুজন করে এবং কানাজাওয়া সিটিতে একজন নিখোঁজ রয়েছেন। ভূমিকম্পে আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৬৫৬ জন। এর মধ্যে ৫৬৬ জন ইশিকাওয়া প্রিফেকচারের বাসিন্দা। এছাড়া নিগাতা প্রিফেকচারে ৪২ জন, তোয়ামা প্রিফেকচারে ৪১ জন, ফুকুই প্রিফেকচারে ৬ জন এবং গিফু প্রিফেকচারে একজন আহত হবার খবর মিলেছে।

ভূমিকম্পে বহু ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। আশ্রয় হারিয়ে প্রায় ৪০০টি আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন ২৮ হাজারের বেশি মানুষ। সড়ক বিধ্বস্ত হওয়ায় ২৪টি এলাকায় অন্তত ২ হাজার মানুষ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছেন। পানি এবং বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় রয়েছেন বহু মানুষ। দুর্গত এলাকায় তুষারপাত অব্যহত থাকায় বাড়ছে ঠাণ্ডাজতিক রোগবালাই।

গত পহেলা জানুয়ারি বিকেল ৪টা ১০ মিনিটে ইশিকাওয়া প্রিফেকচারের ওয়াজিমা সিটি থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার পূর্ব উত্তর-পূর্বে নোতো উপদ্বীপে ৭ দশমিক ৪ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের ৬ কিলোমিটার গভীরতায়। ২ জানুয়ারি সকাল ৬টা পর্যন্ত ১২৯টি আফটারশক হয়েছে উপদ্বীপে। এরমধ্যে সর্বোচ্চ ভূ-কম্পন রেকর্ড করা হয় ৭ দশমিক ৬।

জাপানের আবহাওয়া দপ্তর সতর্ক করেছে, আগামী একমাস ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে ৫ বা তার বেশি মাত্রার কম্পন অনুভূত হতে পারে। তুষারপাত ও বৃষ্টিপাতে বাড়তে হতে পারে ভূমিধ্বসও। এনিয়ে অধিবাসীদের সতর্ক থাকতে হবে। জাপানের আবহাওয়া দপ্তরের হিসেবে, ২০১৬ সালের ১৬ এপ্রিল জাপানের কুমামোটো প্রিফেকচারে রিখটার স্টেলে ৭ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। এর আগে ও পরের কয়েকদিন ওই এলাকায় সিরিজ ভূমিকম্প হয়। এতে মোট ২৭৩ জন নিহত হন। আহত হন ২ হাজার ৮০৯ জন। কুমামোটো ভূমিকম্পের পর কেবল ইশিকাওয়া ভূমিকম্পে প্রাণহানি ১০০ ছুঁয়েছে।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯