নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় দলের এক নেতার ওপর হামলার অভিযোগের পর এবার থানার ভেতরেই উত্তেজনাকর বক্তব্য দিয়ে আলোচনায় এসেছেন জাতীয়

থানার ভেতরে দাঁড়িয়ে ‘থানার ইট খুলে নেওয়ার’ হুমকি এনসিপি নেতার

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সকাল ৯:৫৮ সময় , আপডেট সময় : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সকাল ৯:৫৮ সময়

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় দলের এক নেতার ওপর হামলার অভিযোগের পর এবার থানার ভেতরেই উত্তেজনাকর বক্তব্য দিয়ে আলোচনায় এসেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির আহ্বায়ক যুবাইর সরদার। ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কক্ষের সামনে দাঁড়িয়ে তিনি কর্মীদের ওপর আবার হামলা হলে ‘থানার ইট খুলে নেওয়ার’ হুমকি দিয়েছেন বলে একটি ভিডিওতে দেখা গেছে। ১৭ সেকেন্ডের ওই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।  ভিডিওতে যুবাইর সরদারকে বলতে শোনা যায়, তার কোনো কর্মীর গায়ে হাত তোলা হলে ‘লাশের বদলে লাশ’ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে কোনো নেতাকর্মীর রক্ত আবার ঝরলে থানার ইট পর্যন্ত খুলে নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তিনি। বক্তব্যটি তিনি ফতুল্লা মডেল থানার ভেতরে, ওসির কক্ষের সামনে দেন বলে একাধিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। 


এর আগে সোমবার রাতে ফতুল্লার বক্তাবলী বাজার এলাকায় হামলার শিকার হন এনসিপির নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির সহসাংগঠনিক সম্পাদক তাওহীদুল ইসলাম তাওহীদ। এনসিপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, ধলেশ্বরী নদীর তীরে অবৈধভাবে মাটি কাটার প্রতিবাদ করায় স্থানীয় বিএনপি নেতা হালিম আজাদের অনুসারীরা তার ওপর হামলা চালান। তবে হালিম আজাদ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, এনসিপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে স্থানীয় কয়েকজনের ঝগড়া ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে বলে তিনি শুনেছেন।  ঘটনার পর এনসিপির নেতাকর্মীরা ফতুল্লা মডেল থানায় গিয়ে বিক্ষোভ করেন। পরে জাতীয় যুবশক্তির নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হাসান বাদী হয়ে হালিম আজাদসহ বিএনপির ১৬ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে হত্যাচেষ্টার মামলা করেন। মামলায় আরও অজ্ঞাতনামা ১০ থেকে ১২ জনকে আসামি করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। 


এদিকে থানার ভেতরে এমন বক্তব্য দেওয়ার বিষয়ে ফতুল্লা মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ মাহবুব আলম বলেছেন, দায়িত্বশীল পদে থাকা কারও কাছ থেকে থানার ভেতরে এ ধরনের বক্তব্য দেওয়া ভালো চর্চা নয়। এ ধরনের বক্তব্যের কারণে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারে বলেও তিনি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।  ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা হলেও, হামলার পেছনে কারা সরাসরি জড়িত ছিল—এটি মামলার তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে। 

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯