সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের দৃশ্যের ম্যুরাল সরিয়ে সেখানে ফোয়ারা নির্মাণের কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান। বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
সম্প্রতি কয়েকটি প্রতিবেদনে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের ঐতিহাসিক স্থানে প্রস্তাবিত স্থাপনার পরিবর্তে পানির ফোয়ারা নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলা হয়। তবে মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী এ ধরনের সিদ্ধান্তের কথা অস্বীকার করেছেন। আহমেদ আযম খান বলেন, পাকিস্তানি সেনাদের আত্মসমর্পণের ম্যুরাল সরিয়ে ফোয়ারা নির্মাণ করা হবে—এমন খবর সঠিক নয়। এ বিষয়ে বর্তমান সরকার এখন পর্যন্ত কোনো আলোচনা বা সিদ্ধান্ত নেয়নি।
মন্ত্রী জানান, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে থাকা স্বাধীনতা স্তম্ভের কাজ কীভাবে সম্পন্ন করা যায়, সেটি নিয়ে সরকার আলোচনা করছে। স্বাধীনতা স্তম্ভের মূল চেতনা কীভাবে বাস্তবায়ন করা যায়, সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী সেটিকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হবে বলেও জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ওই স্থানে কী করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। তবে বর্তমান সরকার সেই আলোচনার ভিত্তিতে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি।
এদিকে ২৬ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত প্রতিবেদনে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের স্থানে প্রস্তাবিত ভাস্কর্যের পরিবর্তে পানির ফোয়ারা বসানোর উদ্যোগের কথা প্রকাশিত হয়েছিল। পরে এ বিষয়ে মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রীর বক্তব্যে ভিন্ন অবস্থান উঠে এসেছে। ফলে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের স্বাধীনতা স্তম্ভ ও সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোর ভবিষ্যৎ নকশা কী হবে, তা এখনো চূড়ান্তভাবে জানানো হয়নি।