বেসরকারি বাণিজ্যিক সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ কেনার নতুন পাইকারি দর নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন। একই সঙ্গে জাতীয়

সর্বোচ্চ ৭ টাকা ১১ পয়সায় সৌরবিদ্যুৎ কিনবে বিতরণ সংস্থা

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ১ অক্টোবর ২০২৬, সকাল ৯:৫৯ সময় , আপডেট সময় : ১ অক্টোবর ২০২৬, সকাল ৯:৫৯ সময়

বেসরকারি বাণিজ্যিক সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ কেনার নতুন পাইকারি দর নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন। একই সঙ্গে জাতীয় সঞ্চালন ও বিতরণ লাইন ব্যবহার করে এই বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে আলাদা মাশুল। নতুন এই হার আগামী অক্টোবর মাস থেকেই কার্যকর হবে। বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, একক ক্রেতা হিসেবে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড সংযোগের ভোল্টেজভেদে প্রতি ইউনিট সৌরবিদ্যুৎ ৬ টাকা ৯৮ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ৭ টাকা ১১ পয়সা দরে কিনতে পারবে।


তবে মার্চেন্ট বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো শুধু সরকারি ক্রেতার কাছেই বিদ্যুৎ বিক্রি করবে—এমন নয়। নীতিমালা অনুযায়ী, তারা বড় শিল্পগ্রাহকের কাছে সরাসরি বিদ্যুৎ বিক্রি করতে পারবে। এ ক্ষেত্রে ক্রেতা ও বিক্রেতা নিজেদের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে বিদ্যুতের দাম নির্ধারণ করবেন। কিন্তু বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য সরকারি সঞ্চালন ও বিতরণ অবকাঠামো ব্যবহার করলে নির্ধারিত ‘ওপেন অ্যাকসেস ট্যারিফ’ দিতে হবে। সংযোগ ও ভোল্টেজের ধরন অনুযায়ী এই মাশুল প্রতি ইউনিটে ১ টাকা ২২ পয়সা থেকে ১ টাকা ৯০ পয়সা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।


বিদ্যুৎকেন্দ্র জাতীয় গ্রিডে যুক্ত এবং গ্রাহক সরকারি বিতরণ সংস্থার আওতায় থাকলে ২৩০ কেভিতে প্রতি ইউনিট মোট মাশুল হবে ১ টাকা ৫৯ দশমিক ৮৯ পয়সা, ১৩২ কেভিতে ১ টাকা ৬০ দশমিক ২৫ পয়সা এবং ৩৩ কেভিতে ১ টাকা ৬০ দশমিক ৯৭ পয়সা। এর সঙ্গে সঞ্চালন, বিতরণ এবং হিসাব ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন চার্জ যুক্ত থাকবে। বিদ্যুৎকেন্দ্র ও গ্রাহক যদি আলাদা বিতরণ সংস্থার এলাকায় থাকে, তাহলে বিদ্যুৎ দেওয়ার প্রান্তে অতিরিক্ত ৩০ পয়সা বিতরণ মাশুল দিতে হবে। ফলে ভোল্টেজভেদে মোট মাশুল প্রায় ১ টাকা ৮৯ পয়সা থেকে ১ টাকা ৯১ পয়সা পর্যন্ত হবে।


অন্যদিকে বিদ্যুৎকেন্দ্র ও গ্রাহক একই বিতরণ সংস্থার আওতায় থাকলে অতিরিক্ত ৩০ পয়সা মাশুল প্রযোজ্য হবে না। আর জাতীয় গ্রিড ব্যবহার না করে একই বিতরণ লাইনের মাধ্যমে সরাসরি বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হলে মোট মাশুল নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি ইউনিটে ১ টাকা ২২ পয়সা। এ ক্ষেত্রে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের অধীন সব সমিতিকে একটি সংস্থা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। বিতরণ সংস্থাভেদেও আলাদা মাশুল নির্ধারণ করেছে বিইআরসি। প্রতি ইউনিটে পিডিবির জন্য ৭০ পয়সা, আরইবির জন্য ১ টাকা ৪৩ পয়সা, ডিপিডিসির জন্য ৮৫ পয়সা, ডেসকোর জন্য ৯৯ পয়সা, ওজোপাডিকোর জন্য ৮৭ পয়সা এবং নেসকোর জন্য ১ টাকা ৪ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।


সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়াতে ২০২৫ সালে মার্চেন্ট পাওয়ার নীতিমালা চালু করে। এই ব্যবস্থায় বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো তাদের মাসিক উৎপাদনের সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ সরকারি বিতরণ সংস্থার কাছে বিক্রি করতে পারে। বাকি ৮০ শতাংশ বড় বেসরকারি শিল্পগ্রাহকের কাছে সরাসরি বিক্রির সুযোগ রয়েছে। এর আগে গত ২৩ আগস্ট বিদ্যুতের পাইকারি মূল্য ও সঞ্চালন মাশুল নির্ধারণে গণশুনানি করে বিইআরসি। সেখানে কমিশনের মূল্যায়ন কমিটি সরকারি ক্রয়ের দর প্রতি ইউনিটে ৬ টাকা ৪৮ পয়সা নির্ধারণের সুপারিশ করেছিল। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে সরকারি ক্রয়ের দর ৬ টাকা ৯৮ পয়সা ও ৭ টাকা ১১ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯