মিরপুর-১০–এ ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে সংঘর্ষের ঘটনার পর এবার শুরু হয়েছে বড় পরিসরে আইনি ব্যবস্থা। হামলা, ভাঙচুর ও

মিরপুরে উচ্ছেদ অভিযানে হামলা, চার মামলায় আসামি এক হাজার, গ্রেপ্তার ২৬

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ১ অক্টোবর ২০২৬, দুপুর ১:৪৪ সময় , আপডেট সময় : ১ অক্টোবর ২০২৬, দুপুর ১:৪৪ সময়

মিরপুর-১০–এ ফুটপাত উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে সংঘর্ষের ঘটনার পর এবার শুরু হয়েছে বড় পরিসরে আইনি ব্যবস্থা। হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগে করা হয়েছে চারটি মামলা। এসব মামলায় আসামি করা হয়েছে প্রায় এক হাজার জনকে। একই ঘটনায় ২৬ জনকে গ্রেপ্তারের কথাও জানিয়েছে পুলিশ। রাজধানীর মিরপুর-১০ নম্বর এলাকায় বুধবার ফুটপাতের অবৈধ দখল উচ্ছেদে অভিযান চালায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মিরপুর-১০ গোলচত্বর থেকে হোপ মার্কেটের দিকে অভিযান শুরু হয়। অভিযানের একপর্যায়ে হোপ মার্কেটসংলগ্ন বায়তুল কুদ্দুস জামে মসজিদ মার্কেটের নিচের ভাসমান দোকান সরানোর সময় বৈদ্যুতিক তার ছিঁড়ে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় দোকানি ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। আগুনে কয়েকটি দোকান পুড়ে যায়। পরে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।


এরপর পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ক্ষুব্ধ হকার ও দোকানিরা সিটি করপোরেশনের কর্মীদের ওপর হামলা চালালে সংঘর্ষ শুরু হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে তাদের সঙ্গেও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন হকাররা। এ সময় ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হলে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়ে। সংঘর্ষে কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন। সংঘর্ষের সময় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের তিনটি গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। পুলিশের একটি গাড়ির গ্লাসও ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতির কারণে মিরপুর-১০ থেকে মিরপুর-১৪ নম্বর সড়কে কিছু সময় যান চলাচল বন্ধ থাকে। ঘটনাটি ধারণ করতে গিয়ে গণমাধ্যমকর্মীরাও বাধার মুখে পড়েন।


পরে দুপুরের দিকে আবারও উচ্ছেদ অভিযান শুরু করে সিটি করপোরেশন। মিরপুর-১০ থেকে ১৩ নম্বর পর্যন্ত সড়কের দুই পাশের ফুটপাত থেকে ভাসমান দোকান সরিয়ে দেওয়া হয়। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম খান। তিনি হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান। এরপর মিরপুর মডেল থানায় তিনটি এবং কাফরুল থানায় একটি মামলা করা হয়। মিরপুর থানার তিন মামলায় আসামির সংখ্যা প্রায় ৪০০ থেকে ৫০০ জন। আর কাফরুল থানার মামলায় আরও ৪০০ থেকে ৫০০ জনকে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করা হয়েছে।


মামলাগুলোতে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি, নাশকতা, অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর ও পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগ আনা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ইতোমধ্যে ২৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের অভিযান চলছে।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯