রাতের অন্ধকারে বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন শাহিন আহমদ। কিন্তু আর ঘরে ফেরা হলো না তাঁর। পরদিন সীমান্তের পাশের

সিলেটের কানাইঘাট সীমান্তে গুলিবিদ্ধ যুবকের মরদেহ উদ্ধার

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ১১ অক্টোবর ২০২৬, সকাল ৯:৪৮ সময় , আপডেট সময় : ১১ অক্টোবর ২০২৬, সকাল ৯:৪৮ সময়

রাতের অন্ধকারে বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন শাহিন আহমদ। কিন্তু আর ঘরে ফেরা হলো না তাঁর। পরদিন সীমান্তের পাশের একটি কৃষিজমিতে মিলল ২৫ বছর বয়সী এই যুবকের গুলিবিদ্ধ মরদেহ। কে তাঁকে গুলি করল, কেনই বা প্রাণ দিতে হলো তাঁকে—এখনো মেলেনি এসব প্রশ্নের উত্তর। স্ত্রী ও দুই কন্যাসন্তানকে রেখে শাহিনের এমন মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে পরিবারে।


ঘটনাটি সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকার। শনিবার, ১০ অক্টোবর বিকেলে লক্ষীপ্রসাদ পূর্ব ইউনিয়নের সোনারখেওড় এলাকায় সীমান্তের ১৩২৮ নম্বর পিলারের কাছ থেকে বাংলাদেশের ভেতরে শাহিন আহমদের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত শাহিন উপজেলার কেউটি হাওর গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম আব্দুল লতিফ। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর রাতে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আর ফিরে আসেননি শাহিন। পরদিন শনিবার সকাল ১০টার দিকে সোনারখেওড় এলাকার একটি কৃষিজমিতে তাঁর গুলিবিদ্ধ মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয় লোকজন। পরে তাঁরা পরিবারের সদস্যদের খবর দেন।


নিহতের বড় ভাই জসিম উদ্দিন বিষয়টি কানাইঘাট থানা পুলিশকে জানান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। জসিম উদ্দিন জানান, তাঁর ভাই শাহিন দিনমজুরের কাজ করতেন। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানা না গেলেও তাঁর স্ত্রী ও দুই কন্যাসন্তান রয়েছে। পরিবারের জন্য শাহিনের মৃত্যু বড় ধরনের শোক ও অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।


স্থানীয়দের দাবি, শাহিন মাঝেমধ্যে অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতের খাসিয়া পুঞ্জিতে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতে যেতেন। তবে তাঁর মৃত্যুর সঙ্গে সীমান্ত পারাপারের কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। কানাইঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে শাহিনের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁর পিঠে গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে। কীভাবে এবং কার গুলিতে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।


ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে এই মৃত্যুর পেছনে কারা জড়িত, কোথা থেকে গুলি চালানো হয়েছিল এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ কী—এসব প্রশ্নের উত্তর এখনো অজানা। তদন্তের পরই বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যেতে পারে।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯