জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য ও সংস্কৃতিচর্চা ছড়িয়ে দিতে দেশের সব ইবতেদায়ী, দাখিল, আলিম, ফাজিল ও কামিল

নজরুল বর্ষে দেশের সব মাদ্রাসায় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার নির্দেশ

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ১৪ অক্টোবর ২০২৬, দুপুর ৩:১৫ সময় , আপডেট সময় : ১৪ অক্টোবর ২০২৬, দুপুর ৩:১৫ সময়

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য ও সংস্কৃতিচর্চা ছড়িয়ে দিতে দেশের সব ইবতেদায়ী, দাখিল, আলিম, ফাজিল ও কামিল মাদ্রাসায় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা আয়োজনের নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর। নজরুল বর্ষ উপলক্ষে নেওয়া এই উদ্যোগে শিক্ষার্থীরা অংশ নেবে সংগীত, কবিতা আবৃত্তি, হামদ-নাত, বক্তৃতা ও রচনা প্রতিযোগিতায়।


সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ এবং মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রশাসন শাখা থেকে এ বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। এতে দেশের সব মাদ্রাসাপ্রধানকে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় প্রতিযোগিতার আয়োজন করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের নিজ নিজ এলাকার মাদ্রাসাগুলোতে কার্যক্রমের তদারকি এবং নির্দেশনা বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য হলো জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্য ও সংস্কৃতি সংরক্ষণ, শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ও মেধার বিকাশ, নজরুলচর্চা বৃদ্ধি এবং নতুন প্রজন্মকে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা। একই সঙ্গে জাতীয় পর্যায়ে ঐক্য ও সম্প্রীতি জোরদার করাও এ উদ্যোগের অন্যতম উদ্দেশ্য।


নির্দেশনা অনুযায়ী, ইবতেদায়ী পর্যায়ের প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা নজরুলের ইসলামি সংগীত বা গজল, নির্ধারিত কবিতা আবৃত্তি, হামদ ও নাতে অংশ নিতে পারবে। আবৃত্তির জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘তোর হলো খোকাবাবুর সাধ’, ‘মা’ ও ‘সংকল্প’ কবিতা। এ ছাড়া তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা ‘আমার চোখে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম’ বিষয়ে রচনা এবং নির্ধারিত বক্তৃতা প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবে।


দাখিল পর্যায়ের ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য থাকছে নজরুলের ইসলামি সংগীত বা গজল, হামদ-নাত, কবিতা আবৃত্তি, উপস্থিত বক্তৃতা ও রচনা প্রতিযোগিতা। আবৃত্তির জন্য নির্ধারিত কবিতাগুলো হলো ‘কিশোর ফুল’, ‘কুলি-মজুর’, ‘মানুষ’ ও ‘নারী’। রচনার বিষয় হিসেবে রাখা হয়েছে ‘নজরুলের দেশপ্রেম’ এবং ‘নজরুল সাহিত্যে ও সংগীতে ইসলামের সাম্যের ধারণা’।


আলিম পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা নজরুলের যেকোনো কবিতা আবৃত্তি, ইসলামি সংগীত বা গজল, হামদ-নাত এবং উপস্থিত বক্তৃতায় অংশ নিতে পারবে। এ স্তরে রচনা প্রতিযোগিতার বিষয় ‘ভাবুক ও নজরুল’। অন্যদিকে, ফাজিল ও কামিল পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য থাকছে নজরুলের যেকোনো কবিতা আবৃত্তি, ইসলামি সংগীত বা গজল, হামদ-নাত, উপস্থিত বক্তৃতা এবং ‘নজরুল ও মানুষের মুক্তি’ শীর্ষক রচনা প্রতিযোগিতা।


রচনা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের কয়েকটি শর্ত মানতে হবে। রচনা অবশ্যই মৌলিক হতে হবে এবং হাতে লিখে জমা দিতে হবে। লেখায় ব্যবহৃত তথ্যের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বই, প্রবন্ধ বা লেখকের পরিচিতি এবং তথ্যসূত্র উল্লেখ করা বাধ্যতামূলক। শব্দসীমাও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। ইবতেদায়ী পর্যায়ে সর্বোচ্চ ৫০০ শব্দ, দাখিল পর্যায়ে এক হাজার শব্দ, আলিম পর্যায়ে এক হাজার ৫০০ শব্দ এবং ফাজিল ও কামিল পর্যায়ে সর্বোচ্চ দুই হাজার শব্দের মধ্যে রচনা লিখতে হবে। নজরুল বর্ষের এই আয়োজনের মাধ্যমে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের মধ্যে জাতীয় কবির সাহিত্য, সংগীত ও চিন্তাধারা সম্পর্কে আগ্রহ বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯