রাজধানীর অভিজাত একটি ক্লাবের নির্মাণাধীন ভবনে কীভাবে ঘটল এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনা? মেয়েকে সাঁতার শেখাতে গিয়ে ক্লাবে গিয়েছিলেন সাবেক

অফিসার্স ক্লাবের নির্মাণাধীন ভবনে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে ছিলেন সাবেক অতিরিক্ত সচিব, হাসপাতালে মৃত্যু

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ১৭ অক্টোবর ২০২৬, সকাল ৯:৩৭ সময় , আপডেট সময় : ১৭ অক্টোবর ২০২৬, সকাল ৯:৩৭ সময়

রাজধানীর অভিজাত একটি ক্লাবের নির্মাণাধীন ভবনে কীভাবে ঘটল এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনা? মেয়েকে সাঁতার শেখাতে গিয়ে ক্লাবে গিয়েছিলেন সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো. মোশাররফ হোসেন। কিন্তু কিছুক্ষণ পরই তাঁকে পাওয়া গেল ভবনের নিচে রক্তাক্ত ও অচেতন অবস্থায়। হাসপাতালে নেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত বাঁচানো যায়নি তাঁকে।


শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর সকালে রাজধানীর রমনায় অফিসার্স ক্লাবের একটি নির্মাণাধীন ভবনের নিচতলা থেকে ৭২ বছর বয়সী মোশাররফ হোসেনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে শুক্রবার রাতেই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ঘটনার দিন সকাল ১০টার দিকে নিজের ছোট মেয়েকে সাঁতার শেখাতে অফিসার্স ক্লাবে যান মোশাররফ হোসেন। মেয়েকে সুইমিংপুলের কাছে রেখে তিনি ক্লাবের নির্মাণাধীন ভবনের ভেতরে প্রবেশ করেন। বেলা সোয়া ১১টার দিকে ভবনের নিচতলায় সিঁড়ির পাশ থেকে তাঁকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।


প্রথমে তাঁকে রাজধানীর শাহবাগে বারডেম হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে চিকিৎসকদের পরামর্শে রাত পৌনে ১২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হলে সেখানকার চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশের ধারণা, নির্মাণাধীন ভবনের বেজমেন্টের প্রথম ও তৃতীয় স্তরের মধ্যবর্তী ফাঁকা জায়গা দিয়ে নিচে পড়ে গিয়ে তিনি গুরুতর আহত হয়েছিলেন। অফিসার্স ক্লাবের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, তিনি বারবার ভবনের ওপরের দিকে উঠছিলেন এবং নিচে নামছিলেন। একপর্যায়ে তিনি পথ খুঁজে পাচ্ছিলেন না বলে ধারণা করছে পুলিশ। এরপরই বেজমেন্টের ফাঁকা জায়গা থেকে নিচে পড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।


রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইয়াছিন মিয়া জানান, এ ঘটনায় মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা ময়নাতদন্ত করতে না চাওয়ায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের কথা জানিয়েছে পুলিশ। মোশাররফ হোসেন অফিসার্স ক্লাবের সদস্য ছিলেন। তাঁর স্ত্রী আগেই মারা গেছেন। বড় মেয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করেন। তিনি দেশে ফেরার পর মরদেহ দাফন করা হবে বলে জানিয়েছে পরিবার। মোশাররফ হোসেন রাজধানীর বনানীর পাঁচ নম্বর সড়কের একটি বাড়িতে থাকতেন। তাঁর গ্রামের বাড়ি মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার দেওভুনা গ্রামে।


একটি সাধারণ পারিবারিক কাজে ক্লাবে গিয়ে এমন মর্মান্তিক পরিণতি ঘটায় ঘটনাটি নিয়ে শোকের আবহ তৈরি হয়েছে। তবে ঠিক কী পরিস্থিতিতে তিনি নির্মাণাধীন ভবনের ফাঁকা জায়গা দিয়ে নিচে পড়ে গিয়েছিলেন, তা নিয়ে পুলিশের ধারণার বাইরে নতুন কোনো তথ্য এখনো জানা যায়নি।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯