নিখোঁজের এক দিন পর তুরাগ নদ থেকে উদ্ধার সাবেক বিমানবাহিনী কর্মকর্তা তাহসিফ সাউরির মরদেহ। আর তার মৃত্যুর পরই

শেখ হাসিনার দেশত্যাগের ভিডিও ছড়ানোর দাবি নিয়ে পডকাস্টে যা বলেছিলেন তাহসিফ

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ২৯ অক্টোবর ২০২৬, দুপুর ২:২৩ সময় , আপডেট সময় : ২৯ অক্টোবর ২০২৬, দুপুর ২:২৩ সময়

নিখোঁজের এক দিন পর তুরাগ নদ থেকে উদ্ধার সাবেক বিমানবাহিনী কর্মকর্তা তাহসিফ সাউরির মরদেহ। আর তার মৃত্যুর পরই নতুন করে আলোচনায় এসেছে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার দেশত্যাগের সেই আলোচিত ভিডিও। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি উঠেছে, ভিডিওটি ফাঁসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তাহসিফ। তবে জীবদ্দশায় তিনি এই অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন। তাহলে ভিডিও ফাঁসের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা নিয়ে আসলে কী বলেছিলেন তিনি?


গত ২১ জুলাই ইউটিউবের ‘স্পিক উইথ রশীদ’ নামের একটি চ্যানেলে প্রকাশিত দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে নিজের চাকরিচ্যুতি, বিমানবাহিনীর অভিজ্ঞতা এবং তাকে নিয়ে প্রকাশিত একটি সংবাদ প্রতিবেদন সম্পর্কে কথা বলেন সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরি। ওই প্রতিবেদনকে তিনি প্রচারণামূলক বলে দাবি করেন। সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনার দেশত্যাগের ভিডিও ফাঁসের সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তাহসিফ বলেন, একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, রিফাত আশরাফী ভিডিওটি ধারণ করেছিলেন এবং তিনি নিজে সেটি ছড়িয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু এই অভিযোগের পক্ষে কী প্রমাণ রয়েছে, সেই প্রশ্ন তোলেন তিনি। একই সঙ্গে তার আশঙ্কা ছিল, এমন অভিযোগের কারণেই হয়তো তাকে বিমানবাহিনী থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে ভিডিও ফাঁসের সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার কথা তিনি স্বীকার করেননি। চাকরিচ্যুতির বিষয়টিকেও তিনি অভিযোগ ও অজুহাত হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন।


তাহসিফের মৃত্যুর পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে তার এক সহপাঠী কেএসএম ইনতিসার ইনজিমামের ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে। নৌবাহিনীতে কর্মরত ইনজিমাম দাবি করেন, শেখ হাসিনার দেশত্যাগের ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার সঙ্গে তাহসিফ জড়িত ছিলেন। পোস্টে তিনি আরও জানান, ঘটনার পর তাহসিফ বিভিন্নভাবে হয়রানির শিকার হয়েছিলেন বলে তার ধারণা। তাহসিফের মৃত্যুর সঙ্গে ভিডিও ফাঁসের কোনো যোগসূত্র থাকতে পারে বলেও সন্দেহ প্রকাশ করেন তিনি। তবে একই পোস্টে ইনজিমাম বলেন, ঘটনাটি ব্যক্তিগত বিরোধ নাকি দুর্ঘটনা, তা প্রমাণিত না হলে তিনি এটিকে রাজনৈতিক বিষয় হিসেবে বিবেচনা করবেন।


এদিকে, তাহসিফের মৃত্যুর সঙ্গে ভিডিও ফাঁসের কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করার মতো কোনো প্রমাণ এই বক্তব্যগুলোতে উঠে আসেনি। তার সহপাঠীর দাবি ও সন্দেহকে তাই প্রমাণিত তথ্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। সব মিলিয়ে, সাবেক এই বিমানবাহিনী কর্মকর্তার মৃত্যুর ঘটনায় একদিকে রয়েছে তার আগে দেওয়া বক্তব্য, অন্যদিকে সহপাঠীর তোলা নতুন অভিযোগ ও সন্দেহ। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং আলোচিত ভিডিও ফাঁসের সঙ্গে কোনো যোগসূত্র ছিল কি না, তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজন নির্ভরযোগ্য তদন্ত ও প্রমাণ।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯