ব্যালন ডি’অর জয়ের আনন্দ উদ্‌যাপনের রেশ কাটতে না কাটতেই বড় এক হতাশার মুখে পড়লেন হ্যারি কেইন। নিজের মাঠে

ব্যালন ডি’অর জয়ের পর কেইনের পেনাল্টি মিস, ড্র ডার ক্লাসিকো

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: নিউজ ডেস্ক।

আপলোড সময় : ১ নভেম্বর ২০২৬, দুপুর ১০:৭ সময় , আপডেট সময় : ১ নভেম্বর ২০২৬, দুপুর ১০:৭ সময়

ব্যালন ডি’অর জয়ের আনন্দ উদ্‌যাপনের রেশ কাটতে না কাটতেই বড় এক হতাশার মুখে পড়লেন হ্যারি কেইন। নিজের মাঠে বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের বিপক্ষে জয়ের সুবর্ণ সুযোগ পেয়েও তা কাজে লাগাতে পারেনি বায়ার্ন মিউনিখ। ম্যাচে পেনাল্টি মিস করে আলোচনার কেন্দ্রে চলে আসেন ইংল্যান্ডের এই তারকা স্ট্রাইকার। শেষ পর্যন্ত ২-২ গোলের সমতায় শেষ হয় দুই দলের লড়াই।


মিউনিখের অ্যালিয়াঞ্জ এরেনায় অনুষ্ঠিত ম্যাচের আগে ব্যালন ডি’অর জয়ের আনন্দে কেইনকে ঘিরে বিশেষ উদ্‌যাপন করে বায়ার্ন মিউনিখ। গত সোমবার লন্ডনে বিশ্বের সেরা ফুটবলারের স্বীকৃতি অর্জন করেছিলেন তিনি। তাই সমর্থকদের প্রত্যাশা ছিল, ডর্টমুন্ডের বিপক্ষে গোল করে নিজের অর্জনের আনন্দ আরও বাড়িয়ে তুলবেন এই ইংলিশ অধিনায়ক। ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দলের মধ্যে চলে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। প্রথমার্ধের ৩৮ মিনিটে কনরাড লাইমারের গোলে এগিয়ে যায় বায়ার্ন। অন্যদিকে ডর্টমুন্ডও গোল পরিশোধের চেষ্টা চালিয়ে যায়। তবে জোবে বেলিংহামের একটি গোল বাতিল হওয়ায় সমতায় ফেরার সুযোগ হাতছাড়া হয় তাদের।


দ্বিতীয়ার্ধের ৫৬ মিনিটে পেনাল্টি পায় বায়ার্ন। গোল করার দারুণ সুযোগ আসে কেইনের সামনে। কিন্তু তার নেওয়া শট ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। ফলে ব্যালন ডি’অরজয়ী এই তারকার গোলের অপেক্ষা আরও দীর্ঘ হয়। কেইনের ব্যর্থতার সুযোগ কাজে লাগিয়ে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে ডর্টমুন্ড। সেরহু গুইরাসির গোলে সমতায় ফেরে দলটি। তবে বায়ার্নও দ্রুত ঘুরে দাঁড়ায়। ডায়োট উপামেকানোর গোলে আবারও এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। গোলটির পেছনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল কেইনের। পেনাল্টি মিসের হতাশা কাটিয়ে সতীর্থকে গোল করতে সহায়তা করেন তিনি।


তবে শেষ পর্যন্ত জয় নিয়ে মাঠ ছাড়তে পারেনি বায়ার্ন। ম্যাচের ৮৯ মিনিটে ফ্যাবিও সিলভার দুর্দান্ত গোলে সমতায় ফেরে ডর্টমুন্ড। ফলে শেষ মুহূর্তের গোলে হার এড়ায় সফরকারীরা। এদিকে ম্যাচে বায়ার্নের জন্য আরও দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায় একাধিক খেলোয়াড়ের চোট। মাইকেল ওলিসে, ইসমাইল সাইবারি ও সার্জ গিন্যাব্রি চোটে পড়েন। বিশেষ করে সাইবারিকে মাঠ ছাড়তে হয় চিকিৎসাকর্মীদের সহায়তায়। অন্যদিকে গিন্যাব্রি ও ওলিসেকেও শারীরিক অস্বস্তি নিয়ে মাঠ ছাড়তে দেখা যায়।


ম্যাচটিতে বায়ার্নের ডাগআউটে ছিলেন না প্রধান কোচ ভিনসেন্ট কোম্পানি। ভাইরাসজনিত সংক্রমণে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার পর বর্তমানে পর্যবেক্ষণে রয়েছেন তিনি। এই ড্রয়ের ফলে পয়েন্ট তালিকায় এককভাবে শীর্ষস্থান দখলের সুযোগ হারিয়েছে বায়ার্ন ও ডর্টমুন্ড। দুই দলেরই সংগ্রহ ১৮ পয়েন্ট। তবে গোল ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় তালিকার শীর্ষে রয়েছে বায়ার্ন মিউনিখ। সব মিলিয়ে ব্যালন ডি’অর জয়ের আনন্দের সপ্তাহটি কেইনের জন্য পুরোপুরি স্মরণীয় হয়ে উঠল না। ব্যক্তিগত সাফল্যের পরও পেনাল্টি মিস এবং শেষ মুহূর্তের সমতাসূচক গোলে জয় অধরাই থেকে গেল বায়ার্নের।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯