যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির শোচনীয় পরাজয়ের পেছনে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানকে অন্যতম কারণ হিসেবে স্বীকার করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে একই পরিস্থিতি আবারও তৈরি হলে তিনি যে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নিতেন, সে বিষয়েও নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন।
বুধবার (৪ নভেম্বর) হোয়াইট হাউসের বলরুম নির্মাণকাজ পরিদর্শনের সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন ট্রাম্প। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স মন্তব্য করেছিলেন, ইরান যুদ্ধই মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের প্রধান কারণ। ভ্যান্সের বক্তব্যের সঙ্গে তিনি একমত কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ভ্যান্সের কথার যথেষ্ট সত্যতা রয়েছে। তাঁর মতে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের কারণে স্বল্পমেয়াদে জ্বালানির দাম কিছুটা বেড়েছে, যা নির্বাচনে প্রভাব ফেলতে পারে।
তবে সামরিক অভিযান নিয়ে নিজের সিদ্ধান্তের পক্ষে দৃঢ় অবস্থান বজায় রেখেছেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, একই পরিস্থিতিতে আবার সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ পেলেও তিনি একই পদক্ষেপ নিতেন। কারণ, দীর্ঘমেয়াদে ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা ঠেকানোর জন্য এটিই একমাত্র সমাধান। ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হতে দেওয়া যাবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এদিকে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে ভূমিকা রাখার পরও প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথকে বরখাস্ত করার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়েছেন ট্রাম্প। তাঁকে দায়িত্ব থেকে সরানো হবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, হেগসেথ খুব ভালো কাজ করছেন।
সূত্র: মিডল ইস্ট আই।