বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আগামী দুই বছরের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনায় ৭৭টি জেলা ও মহানগর শাখার নতুন আমিরদের নাম প্রকাশ করা হয়েছে। দলটির সদস্যদের গোপন ব্যালটে সরাসরি ভোটের মাধ্যমে এসব নেতা নির্বাচিত হয়েছেন। বুধবার (৪ নভেম্বর) রাজধানীর মগবাজারে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নির্বাহী পরিষদের বৈঠকে তাঁদের নাম ঘোষণা করেন দলটির আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
দলীয় বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ২০২৭–২০২৮ সাংগঠনিক কার্যকালের জন্য নির্বাচিত নেতারা নিজ নিজ জেলা ও মহানগর শাখার দায়িত্ব পালন করবেন। রুকনদের প্রত্যক্ষ ভোটে সম্পন্ন হয়েছে এই নেতৃত্ব নির্বাচন। ঘোষিত তালিকা অনুযায়ী, ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার আমির হয়েছেন মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন এবং দক্ষিণ শাখার দায়িত্ব পেয়েছেন নূরুল ইসলাম বুলবুল। অন্যান্য মহানগরের মধ্যে চট্টগ্রামে মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, রাজশাহীতে ডা. মো. জাহাঙ্গীর, খুলনায় অধ্যাপক মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান, সিলেটে মো. ফখরুল ইসলাম, বরিশালে অধ্যক্ষ জহির উদ্দিন মুহাম্মদ বাবর, রংপুরে এ টি এম আজম খান এবং বগুড়ায় আবদুল মালেক নির্বাচিত হয়েছেন।
রংপুর বিভাগের জেলাগুলোর মধ্যে পঞ্চগড়ে অধ্যাপক মো. ইকবাল হোসাইন, ঠাকুরগাঁওয়ে মোহাম্মদ আলমগীর, দিনাজপুরে ড. মুহাদ্দিস এনামুল হক, নীলফামারীতে অধ্যক্ষ মাওলানা আবদুস সাত্তার, লালমনিরহাটে অ্যাডভোকেট আবু তাহের, রংপুরে মাওলানা এনামুল হক, কুড়িগ্রামে অধ্যাপক আজিজুর রহমান সরকার এবং গাইবান্ধায় মো. আবদুল করিম সরকার দায়িত্ব পেয়েছেন।
রাজশাহী বিভাগের আট জেলায় জয়পুরহাটে মাওলানা গোলাম কিবরিয়া, বগুড়ায় মাওলানা আবদুল হক সরকার, সিরাজগঞ্জে মাওলানা মো. শাহিনুর আলম, পাবনায় অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাওলানা মো. আবুজর গিফারী, নওগাঁয় মাওলানা মাহফুজুর রহমান, রাজশাহীতে অধ্যাপক আবদুল খালেক এবং নাটোরে ড. মীর নুরুল ইসলাম নতুন আমির নির্বাচিত হয়েছেন।
খুলনা বিভাগের দশ জেলায় মেহেরপুরে মাওলানা মো. তাজউদ্দীন খান, কুষ্টিয়ায় অধ্যক্ষ খন্দকার এ কে এম আলী মহসিন, চুয়াডাঙ্গায় অ্যাডভোকেট মো. রুহুল আমিন, ঝিনাইদহে মাওলানা আবদুল আউয়াল, যশোরে অধ্যাপক মো. গোলাম রসুল, মাগুরায় অধ্যাপক সাঈদ আহমদ, নড়াইলে অ্যাডভোকেট মো. আতাউর রহমান বাচ্চু, বাগেরহাটে মাওলানা রেজাউল করিম, খুলনায় অধ্যক্ষ মাওলানা কবিরুল ইসলাম এবং সাতক্ষীরায় অধ্যাপক শহীদুল ইসলাম দায়িত্ব পেয়েছেন।
বরিশাল বিভাগের ছয় জেলায় বরগুনায় মাওলানা মো. মহিবুল্লাহ, পটুয়াখালীতে অ্যাডভোকেট নাজমুল আহসান, ভোলায় মাস্টার মু. জাকির হোসেন, বরিশালে ড. মাহফুজুর রহমান, ঝালকাঠিতে অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান এবং পিরোজপুরে আব্দুর রব নির্বাচিত হয়েছেন। ময়মনসিংহ বিভাগের শেরপুরে মাওলানা হাফিজুর রহমান, ময়মনসিংহে মো. আবদুল করিম এবং নেত্রকোণায় ছাদেক আহমাদ হারিছ নতুন আমির হয়েছেন।
ঢাকা বিভাগের জেলাগুলোর মধ্যে কিশোরগঞ্জে মাওলানা আজিজুল হক, টাঙ্গাইলে আহসান হাবিব মাসুদ, মানিকগঞ্জে হাফেজ মাওলানা মো. কামরুল ইসলাম, গাজীপুরে মাওলানা সেফাউল হক, মুন্সীগঞ্জে মাওলানা আ. জ. ম. রুহুল কুদ্দুস, ঢাকায় মাওলানা মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসাইন, নারায়ণগঞ্জে মাসুদুর রহমান গিয়াস, নরসিংদীতে ইব্রাহিম ভূঁইয়া, রাজবাড়ীতে হাসমত আলী, ফরিদপুরে ইমতিয়াজ উদ্দিন আহমদ, গোপালগঞ্জে অধ্যাপক রেজাউল করিম, মাদারীপুরে মাওলানা মোখলিসুর রহমান এবং শরীয়তপুরে মাওলানা আবদুর রব হাশেমী দায়িত্ব পেয়েছেন। সিলেট বিভাগের চার জেলায় সুনামগঞ্জে অ্যাডভোকেট শামসুদ্দিন, সিলেটে মাওলানা হাবিবুর রহমান, মৌলভীবাজারে প্রকৌশলী মো. শাহেদ আলী এবং হবিগঞ্জে মাওলানা কাজী মোখলিছুর রহমান নির্বাচিত হয়েছেন।
চট্টগ্রাম বিভাগের জেলাগুলোর মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাওলানা মুহা. মোবারক হোসাইন, কুমিল্লা উত্তরে অধ্যাপক মো. আবদুল মতিন, কুমিল্লা দক্ষিণে অ্যাডভোকেট মো. শাহজাহান, চাঁদপুরে মাওলানা বিলাল হোসেন মিয়াজী, ফেনীতে মুফতি আবদুল হান্নান, নোয়াখালীতে মো. ইসহাক খন্দকার এবং লক্ষ্মীপুরে এ আর হাফিজুল্লাহ দায়িত্ব পেয়েছেন। এ ছাড়া চট্টগ্রাম উত্তরে আলাউদ্দিন শিকদার, দক্ষিণে আনোয়ারুল আলম চৌধুরী, কক্সবাজারে অধ্যক্ষ মাওলানা নুর আহমদ আনোয়ারী, খাগড়াছড়িতে মিনহাজুর রহমান, রাঙামাটিতে অধ্যাপক মোহাম্মদ আবদুল আলীম এবং বান্দরবানে এস এম আবদুছ ছালাম আজাদ নির্বাচিত হয়েছেন।