ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় বিএনপির দুই পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে চলা এ সংঘর্ষে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, পাল্টাপাল্টি হামলা ও ককটেল বিস্ফোরণে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এতে এক সাংবাদিকসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। শনিবার (৭ নভেম্বর) বিকেলে কসবা পৌর এলাকার কদমতলী মোড়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। পরে সংঘর্ষ আশপাশের এলাকাতেও ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে জেলা বিএনপি নেতা কবির আহমেদের অনুসারীরা একটি র্যালি বের করেন। অন্যদিকে, সম্প্রতি গঠিত ছাত্রদলের কমিটিতে পদ না পাওয়া নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল করেন। ওই মিছিলে স্থানীয় সংসদ সদস্য মুশফিকুর রহমানের অনুসারী হিসেবে পরিচিত নেতাকর্মীরাও অংশ নেন। একপর্যায়ে কদমতলী এলাকায় দুই পক্ষের নেতাকর্মীরা মুখোমুখি হলে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরে সেই উত্তেজনা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে কয়েক দফা ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষ চলাকালে একাধিক ককটেল বিস্ফোরণের শব্দে আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে চলা সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে মোহনা টেলিভিশনের কসবা প্রতিনিধি খ আ ম হারুনুর রশিদ ঢালীও রয়েছেন। ঘটনার বিষয়ে কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ছামিউল ইসলাম জানান, প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুই পক্ষকে নির্ধারিত সীমানা অতিক্রম না করার অনুরোধ জানানো হয়েছিল। কিন্তু তারা প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে চলেননি। এর পরই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।