বজ্রপাত হয় ঘরের চালে, পরে ঘরে থাকা মা ও শিশু দুজনই ঘরসহ পুড়ে যান। খাগড়াছড়ির দীঘিনালার মেরুং ইউনিয়নের

ঘরের চালে বজ্রপাত, পুড়ে মা ও শিশুর মৃত্যু

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: স্টাফ রির্পোটার।

আপলোড সময় : ৫ মে ২০২৪, দুপুর ১১:০ সময় , আপডেট সময় : ৫ মে ২০২৪, দুপুর ১১:০ সময়
বজ্রপাত হয় ঘরের চালে, পরে ঘরে থাকা মা ও শিশু দুজনই ঘরসহ পুড়ে যান। খাগড়াছড়ির দীঘিনালার মেরুং ইউনিয়নের মধ্যবেতছড়ি গ্রামে রোববার (৫ মে) ভোরে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- হাসিনা আক্তার (৩০) ও তার ছেলে আবু হানিফ (৮)। দীঘিনালা ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আগুন নিভিয়ে লাশ দুটি উদ্বার করে।
এসময় সঙ্গে থাকা আরেক সন্তান হাফিজ (১১) সকালে প্রকৃতির ডাকে বাইরে গেলে প্রাণে বেঁচে যায় সে। নিহতের স্বামী মো. ছাদেক মিয়া পরিবহন সংস্থা শান্তি গাড়ির হেলপার। সে গাড়িতে কর্মরত থাকায় বাড়ির বাহিরে থাকায় তিনিও প্রাণে বেঁচে যান।

স্থানীয়রা জানান, রোববার ভোর পৌনে পাঁচটার দিকে আকাশে গর্জনসহ বৃষ্টি শুরু হলে হঠাৎ বজ্রপাত হয়। এসময় একটি বজ্রপাত ছাদেক মিয়ার বসতঘরে পড়ে। বসতঘরে থাকা হাসিনা বেগম ও ছেলে আবু হানিফ বজ্রপাতে পুড়ে কঙ্কাল হয়ে যায়। এসময় সঙ্গে থাকা আরেক ছেলে মো. হাফিজ প্রাণে বেচে যায়। খবর পেয়ে বাড়ির মালিক ছাদেক মিয়া পানছড়ি থেকে বাড়ি ফেরেন। এঘটনায়  পুরো এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে।  

ঘটনার পর ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে এবং নিহতদের লাশ উদ্ধার করে। ফায়ার সার্ভিসের  ফায়ার ফাইটার মো. নাজমুল ইসলাম জানান, সাড়ে ৫টায় খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান তারা। ঘরের ওপর বজ্র পড়ায় মুহূর্তেই সব শেষ।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে দীঘিনালা থানার ওসি মো. নুরুল হক জানিয়েছেন, বজ্রপাতে মা ও ছেলে দুজনই একদম পুড়ে গেছেন, লাশ চেনার উপায়ও নেই। তিনি জানান, লাশগুলো আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হবে।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯