ইশরাক-এর নামায(১) সূর্য উদয়ের পর যে দুই বা চার রাকআত নফল নামায পড়া হয়, তাকে ইশরাক এর নামায

ইশরাক, চাশত, যাওয়াল ও আওয়াবিন-এর নামায কিভাবে পড়বেন

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: স্টাফ রির্পোটার।

আপলোড সময় : ১৩ জুলাই ২০২৩, সকাল ৮:৫৩ সময় , আপডেট সময় : ১৩ জুলাই ২০২৩, সকাল ৮:৫৪ সময়

ইশরাক-এর নামায

(১) সূর্য উদয়ের পর যে দুই বা চার রাকআত নফল নামায পড়া হয়, তাকে ইশরাক এর নামায বলা হ। এই নামায দ্বারা এক হচ্ছ ও এক উমরার সাওয়াব পাওয়া যায়।

(২) সূর্য উদয়ের আনুমানিক দশ/বারো মিনিট পর থেকে ইশরাকের ওয়াক্ত আরম্ভ হয় এবং দ্বিপ্রহরের আগ পর্যন্ত ওয়াক্ত বাকী থাকে। তবে ওয়াক্তের শুরুতেই এ নামায পড়ে নেয়া উত্তম

(৩) ফজরের নামায আদায়ের পর সে স্থানেই বসে থেকে দোয়া-দুরুদ, যিকির-আযকার ও তাসবিহ- তিলওয়াতে লিপ্ত থাকবে। দুনিয়াবি কোনো কথা বা কাজে লিপ্ত হবে না এবং সময় হয়ে গেলে ইশরাকের নামায আদায় করবে। এভাবে ইশরাক এর নামায আদায় করাতে সাওয়ার বেশি। দুনিয়াবি কথা বা কাজে লিপ্ত হয়ে গেলেও সময় হওয়ার পর ইশরাকের নামায আদায় করা যায়, তবে তাতে সাওয়ার কিছু কমে যাবে।

(৪) ইশরাকের নামায় যে কোনো সুরা কিরাত দিয়ে পড়া যায়। আরবিতে এভাবে নিয়ত করা যায়।

نَوَيْتُ أَنْ أَصَلَّى رَكْعَتَى الْإِشْرَاقِ -

বাংলা—দুই রাকাআত ইশরাকের নামাযের নিয়ত করছি।

 

চাশত-এর নামায :

(১) আনুমানিক নয়টা কি দশটার দিকে যে নফল নামায পড়া হয়, তাকে সালাতু যোহা বা চাশতের নামায বলে।

(২) ইশরাকের নামায আদায়ের পর থেকে দ্বিপ্রহরের আগ পর্যন্ত এই নামাযের ওয়াক্ত বাকি থাকে। তবে দিনের এক চর্তাংশ যাওয়ার পর অর্থাৎ আনুমানিক নয়টা/দশটার দিকে এই নামায পড়া উত্তম।

(৩) এই নামায দুই থেকে বার রাকআত পড়া যায়। তবে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাধারণত চার রাকআত পড়তেন। মাঝে মধ্যে বেশিও আদায় করতেন। চাশতের নামায যে কোনো সুরা/কিরাত দিয়ে পড়া যায়।


যাওয়াল বা সূর্য ঢলার নামায :

দুপুরে পশ্চিমাকাশে সূর্য ঢলার পর চার রাকআত নফল নামায আদায় করা হয়। তাকে বলা হয় যাওয়াল বা সূর্য ঢলার নামায। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সর্বদা এই নফল নামায আদায় করতেন। সূর্য ঢলার সময় আসমানের রহমতের দরজা খুলে দেওয়া হয়। তাই তখন এই নফল নামায আদায়ের ফযিলত অধিক। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এক নামাযেই এই চার রাকআত নফল আদায় করতেন। (আহকামে যিন্দিগি)


 আওয়াবিন নামায:

মাগরিবের ফরম এবং সুন্নাতের পর কমপক্ষে ছয় রাকআত এবং সর্বাপেক্ষা বিশ :রাকাআত নফলকে আওয়াবিনের নামায় বলা হয়। হাদিস শরিফে এই ছয় রাকয়াত আওয়াবিনের ফযিলতের ব্যাপারে বার বছর নফল ইবাদত করার সাওয়াবের কথা উল্লেখ রয়েছে

অপর এক হাদিসে বর্ণিত আছে, বিশ রাকআত আদায় করলে জান্নাতে আল্লাহ তায়ালা তার জন্য একটি ঘর তৈরি করবেন। (আহকামে যিন্দিগি)

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯