গত সপ্তাহেই ইলিশ ধরার জন্য ট্রলার নিয়ে সাগরে গিয়েছিলেন আবুল খায়ের। কিন্তু মাছ ধরতে সাগরে যাওয়ার জন্য একটাও

স্ত্রীর গয়না বন্ধক রেখে মাছ ধরতে গিয়ে পেল ১৭০ মণ ইলিশ

নিউজটি প্রতিবেদন করেছেন: স্টাফ রির্পোটার।

আপলোড সময় : ২৯ আগস্ট ২০২৩, সকাল ৯:৩১ সময় , আপডেট সময় : ২৯ আগস্ট ২০২৩, সকাল ৯:৪৭ সময়

গত সপ্তাহেই ইলিশ ধরার জন্য ট্রলার নিয়ে সাগরে গিয়েছিলেন আবুল খায়ের। কিন্তু মাছ ধরতে সাগরে যাওয়ার জন্য একটাও টাকা ছিল না আবুল খায়েরের। স্থানীয় মহাজনের কাছে তিনি ধার নেন আট লাখ টাকা। স্ত্রীর গয়না বন্ধক রেখেই ওই টাকা নিয়েছিলেন তিনি। আর, জাল ফেলেই ভাগ্যের চাকা ঘুরেছে আবুল খায়েরের।


লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার মৎস্যজীবী আবুল খায়ের, সাগরে একবার জাল ফেলেই পেয়েছেন ১৭০ মণ ইলিশ। সেই ইলিশ মাছ বিক্রি করেই তিনি পেয়েছেন আধ কোটির বেশি টাকা। ওই এলাকার মৎস্যজীবী এবং মাছের ব্যবসার সঙ্গে যুক্তরা জানান, ওই উপকূলে এযাবৎকালের মধ্যে কোনও মৎস্যজীবীর জালে ধরা পরা এটাই সবচেয়ে বেশি পরিমাণের মাছ।

ওই ইলিশ মাছ আবুল খায়ের বিক্রি করে মহিপুর মৎস্য বন্দরের একটি আড়তে। ওই মাছ কিনে নিয়েছেন আড়তের মালিক মিঠুন দাস।এই মাছ বিক্রি করে আবুল খায়ের পেয়েছেন ৫৪ লাখ ৫৪ হাজার ৫০০ টাকা। সাগরে গিয়ে জাল ফেলার পরে প্রথম টানেই যে তার ভাগ্য ঘুরে গিয়েছে তা যেন এখনও বিশ্বাসই করতে পারছেন না ওই মৎস্যজীবী।

তিনি জানান, একেবারে স্বপ্নের মতন মনে হচ্ছে তাঁর। আবুর জানান, মাছের ব্যবসা করতে গিয়ে ধারদেনায় র্জজরিত হয়ে পড়েছিলেন তিনি।এবার সাগরে নামার মতন কোনও অর্থ ছিল না তাঁর কাছে। সেই কারণে কারণে স্ত্রীর গয়না বন্ধক রেখে আট লাখ টাকা ধার নিয়ে জ্বালানি ও প্রয়োজনীয় খাবার কিনে ট্রলার নিয়ে সাগরে নামেন তিনি। গত ২০ তারিখে যখন মাছ ধরার জন্য রওনা দেন তখনও তাঁর দুশ্চিন্তা ছিল ঋণ পরিশোধ করা নিয়ে।

তিনি জানান, তাঁর ‘এফবি রিভারমেট’ ট্রলার নিয়ে রামগতি থেকে সাগরে রওনা দেন তাঁরা। গত ২৩ অগাস্ট সকালে জাল ফেলা হয়। সেদিন বিকালে জাল তোলার সময়ে দেখেন প্রচুর ইলিশ মাছ ধরা পড়েছে। এরপর তাঁরা মহিপুর মৎস্য বন্দরের উদ্দেশে রওনা দেন।আবুল খায়ের বলেন, 'মানুষ কতটা অসহায় হলে স্ত্রীর গয়না বন্ধক রাখে! একেবারে শেষ হয়ে গিয়েছিলাম। এবার আল্লা আমার দিকে মুখ তুলে তাকিয়েছেন। স্ত্রীর যে গয়না বন্ধক রেখেছিলাম আগে সেটা ছাড়িয়ে নিয়ে আসব।' মিঠুন জানান, যে মাছ কিনেছেন তার মধ্যে ৬০০ থেকে ৯০০ গ্রামের ইলিশ ছিল ৫৭ মণ। ১ কেজি থেকে ১২০০ গ্রামের ইলিশ ছিল ১ মণ।

সম্পাদকীয় :

সম্পাদকঃ মো: ফারুক হোসেইন,

এক্সিকিউটিভ এডিটরঃ ড. আব্দুর রহিম খান,

প্রকাশকঃ মো: মতিউর রহমান।


অফিস :

অফিস : রুপায়ন জেড. আর প্লাজা (৯তলা), প্লট- ৪৬,রোড নং- ৯/এ, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা- ১২০৯।

ইমেইল : info@banglann.com.bd, banglanewsnetwork@gmail.com

মোবাইল : +৮৮ ০২ ২২২২৪৬৯১৮, ০২২২২২৪৬৪৪৯