০১. মসজিদে প্রবেশ করে বসার পূর্বে দু-রাকাত ‘তাহিয়্যাতুর মসজিদ’ নামায পড়বে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন-- ‘তোমাদের কেউ যখন মসজিদে প্রবেশ করে সে যেনো দুই রাকাত নামায না পড়ে বসে না।’
০২. যেসব নামাযে ফরজের আগে সুনআতে মুয়াক্কাদা রয়েছে। যেমন- জোহরের নামাযের আগে চার রাকাত সুন্নাতে মুয়াক্কাদা। তখন উত্তম হলো- ‘তাহিয়্যাতুল মসজিদের দুই রাকাত পৃথক পড়বে। তবে হাতে যদি সময় কম থাকে তখন শরিয়ত আমাদের জন্য একটি সহজ পথ দেখিয়ে দিয়েছে। তা হলো- চার রাকাত সুন্নাতের সাথে তাহিয়্যাতুর মসজিদেরও নিয়ত করে নিবে। আল্লাহর রহমতে আশা করা যায়, তিনি উভয় নামাযেরই সাওয়াব দান করবেন।
আরও খবর পড়ুন :
(খ) ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়ার পরবর্তী সুন্নাতসমূহ
(গ) যে সাত শ্রেণীর লোক আরশের নিচে ছায়া পাবে
০৩. তাহিয়্যাতুল মসজিদ পড়ার পর যদি হাতে সময় থাকে ঐ সময়টার ব্যাপারে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-- যে ব্যক্তি জামাতের অপেক্ষায় বসে আছে সে যেনো জান্নাতের পারে বসে আছে। সুতরাং ঐ অবস্থায় তোমরা জান্নাতের ফল খাও্ সাহাবায়ে কেরাম রাদিয়াল্লাহু আনহুম জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসুল! জান্নাতের ফল খাবো কীভাবে? রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উত্তর দিলেন, সে সময় তোমরা এই দোয়াটি পড়েতে-
“সুবহানাল্লাহ, আলহামদু লিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু আল্লাহু আকবর” দোয়াটি পড়া মানে জান্নাতের ফল খাওয়া। কারণ, এ দোয়ার পুরস্কার হিসেবে আল্লহ তায়ালা জান্নাতের ফল খাওয়াবেন।
০৪. বুযুর্গানেদীন এও বলেছেন, মসজিদে যাওয়ার পরযিদি তাহিয়্যাতুল মসিজিদ পড়ার সময় পাওয়া না যায়, তখন এ দোয়াটি পড়তে থাকবে। এর ফলে ইনশাআল্লাহ তাহিয়্যাতুল মসজিদের সাওয়াব পাওয়া যাবে।
এ ছাড়াও মসজিদে গিয়ে মসজিদের আদবের প্রতি যত্নবান হবে। মসজিদে বসে অহেতুক কথা বলা থেকে বিরত থাকবে। যিকিরে মশগুল থাকবে। সুযোগ পেলে কুরআন তিলাওয়াত করবে। জামাত শুরু হলে জামাতের আদবের প্রতি লক্ষ্য রেখে নামায শুরু করবে। এভাবে করতে পারলে ইনশাআল্লাহ আল্লাহর রহমতের দরজা খুলে যাবে।
স্টাফ রির্পোটার
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন