ফকিহ আবুল লাইস আস-সামারকান্দি রহ. বলেন, যে ব্যক্তি কবরের আযাব হতে নাজাত পেতে চায় তার চারটি কাজ করতে হবে এবং চারটি কাজ বর্জন করতে হবে। যে ব্যক্তি ভালো আমল করবে এবং আল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাৎ করার জন্য প্রস্তুতি নেবে, কবর তার জন্য বন্ধুত্ব ও আনন্দের ঘর। আর যে ব্যক্তি খারাপ আমল করবে এবং আল্লাহর আনুগত্যের ক্ষেত্রে ত্রুটি করবে, কবর তার জন্য ভীতি ও অন্ধকারের ঘর। নবী করিম (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘কবর পরকালের প্রথম ঘাঁটি। কেউ যদি এখান থেকে মুক্তি পায়, তাহলে পরবর্তী ঘাঁটিগুলো তার জন্য সহজ হবে। আর যদি কেউ কবর থেকে মুক্তি না পায়, তাহলে পরবর্তী ঘাঁটিগুলো তার জন্য আরো কঠিন হবে।’ (তিরমিজি, হাদিস : ২৩০৮)
পানি পান করার সুন্নাতসমূহ
১. পাঁচ ওয়াক্ত নামায পাবন্দীর সাথে আদায় করতে হবে।
২. আল্লাহর রাস্তায় বেশি বেশি দান-খয়রাত করতে হবে।
৩. বেশি বেশি কুরআনুল কারিম তিলাওয়াত করতে হবে।
৪. অধিক পরিমাণে মহান আল্লাহর যিকির করতে হবে। কেননা, এ আমলগুলো কবরকে আলোকিত এবং প্রশস্ত করে।
বর্জনীয় চারটি কাজ:
১. মিথ্যা বলা।
২. খেয়ানত করা।
৩. কুৎসা রটানো ।
৪. পেশাবের ছিটা-ফোঁটা থেকে বিরত না থাকা। — (তাচ্ছিল গাফিলিন)
মানুষকে আল্লাহ তায়ালা সৃষ্টিগতভাবেই এ বৈশিষ্ট্য দিয়ে সৃষ্টি করেছেন যে, তারা অন্যের স্বভাব, অবস্থা কোনো চেষ্টা ছাড়াই, মনের অজান্তে খুব দৃঢ়তার সাথে অতি দ্রুত গ্রহণ করে নেয়; চাই তা ভালো কিংবা খারাপ হোক। এজন্য ভালো সঙ্গী অনেক উপকারী । এ সঙ্গতা ভালো প্রভাব সৃষ্টি করে, অপর দিকে খারাপ সঙ্গ অত্যন্ত খারাপ প্রভাব সৃষ্টি করে।
স্টাফ রির্পোটার
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন