ঢাকা | |
সংবাদ শিরোনাম :
বিশ্ব শিক্ষক দিবসে শতাধিক গুণী শিক্ষককে প্রধানমন্ত্রীর সম্মাননা সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডনের জামিন নামঞ্জুর গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের কোনো চেষ্টা বা ইচ্ছা সরকারের নেই: তথ্যমন্ত্রী ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ ছাড়া ভোটে অংশ নেওয়া অর্থহীন’ ওয়াইডে ছক্কা দিয়ে আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের ক্রিকেটার দেশের ইতিহাসে শিক্ষাখাতে এ বছরই সর্বোচ্চ বাজেট: প্রধানমন্ত্রী ফুটপাতে পুনরায় দোকানপাট গড়ে তোলা হলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা ইসরায়েলের হামলায় গাজার ৮০ শতাংশের বেশি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত কোচ জেসুসের কড়া সমালোচনা করলেন রোনালদোর স্ত্রী সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে রাবিতে মানববন্ধন

ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়ার পরবর্তী সুন্নাতসমূহ

নিদ্রা বা ঘুম থেকে উঠে দুহাতে চোখ-মুখ এমনভাবে কচলানো যাতে ঘুম দুর হয়ে যায়। ঘুম থেকে উঠে নিম্নোক্ত
  • আপলোড সময় : ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩, সকাল ৯:৩০ সময়
  • আপডেট সময় : ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৩, দুপুর ১০:১৩ সময়
ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়ার পরবর্তী সুন্নাতসমূহ ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়ার পরবর্তী সুন্নাতসমূহ

নিদ্রা বা ঘুম থেকে উঠে দুহাতে চোখ-মুখ এমনভাবে কচলানো যাতে ঘুম দুর হয়ে যায়।  ঘুম থেকে উঠে নিম্নোক্ত দোয়া পড়া- ‘আলহামদু লিল্লাহিল্লাজি আহইয়ানা বা’দা মা আমাতানা ওয়া ইলাইহিন নুশুর।’ অর্থ- সকল প্রশংসা ঐ আল্লাহর জন্য, যিনি আমাদের (সাময়িক) মৃত থেকে পুনরায় জীবন দান করেছেন। অবশেষে তাঁর দিকেই আমাদের প্রত্যাবর্তন। ফায়েদা- উল্লিখিত দোয়া পড়ার দ্বারা একদিকে তো এই বিষয়ে শুকরিয়া আদায় করা হচ্ছে যে, মৃত্যুর পর পুনারায় জীবন পাওয়া গেল। কারণ, ঘুমন্ত অবস্থায় আমার মৃত্যু হয়ে যেতে পারত। অনেক লোকেরই তো ঘুমন্ত অবস্থায় মৃত্যু হয়ে যায়। কিন্তু হে আল্লাহ, আপনি আমাকে মৃত্যুর পর পুনরায় জীবন দান করেছেন।


অপরদিকে এই দোয়ায় এই কথাও স্বরণ করা হচ্ছে যে, এই যে আমি পুনরায় জীবন লাভ করলাম, এই জীবন চিরস্থায়ী নয়, বরং একসময় আমার জীবনের অবসান ঘটবে, অতঃপর পুনরুথ্থিত হয়ে আল্লাহর নিকট যেতে হবে।


অতএব, যে ব্যক্তি সকালে ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়া মাত্রই আল্লাহকে এভাবে স্মরণ করছে যে, এই জীবন ক্ষণস্থায়ী, চিরস্থায়ী নয় এবং একসময় আমাকে আল্লাহর নিকট ফিরে যেতে হবে। বলা বাহুল্য, সেই ব্যক্তি অবশ্যই ঐ দিনকে আল্লাহর সন্তুষ্টি মোতাবেক অতিবাহিত করার চেষ্টা করবে।


ঘুম থেকে উঠে মেসওয়াক করা। উল্লেখ্য, অযু করার সময় পুনরায় মেসওয়াক করবে। কেননা ঘুম থেকে উঠে মেসওয়াক করা এবং অযুর সময় মেসওয়াক করা ভিন্ন ‍দুটি সুন্নাত। (বজুলল মজহুদ ১/৩৫ এবং শরহে আবু দাউদ, প্রথম খণ্ড)।


জামা, পায়জামা-পাঞ্জাবী পরিধান করার সময় ডান থেকে মুরু করবে। অর্থাঃ প্রথমে ডান হাত বা পা এরপরে বাম হাত বা পা দ্বারা পরিধান শুরু করবে। আবাকাবা, জোতা, মোজার ক্ষেত্রেও এই বিধান। তবে এগুলো খোলার সময় বিপরীতি দিক থেকে শুরু করবে। অর্থাৎ আগে বাম হাত বা পা; পরে ডান হাত বা পায়ের দিক থেকে খুলবে।(বুখারি, তিরমিযি; কিতাবুল লেবাস)।


ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়ার পর হাত ধোয়ার জন্য বা অযু করার জন্য পানির পাত্রে হাত প্রবেশের আগে তিনবার হাত ধৌত করা। (তিরমিযি শরিফ)। পুনশ্চ: অর্থাৎ পানির পাত্রে হাত প্রবেশের আগে মগ বা এ জাতীয় কিছু দ্বারা পানি তুলে তিনবার হাত ধুয়ে নিতে হবে। এপর পানির পাত্রে হাত প্রবেশ করালে কোনো ক্ষতি নেই। উল্লিখিত হাদিসে এটিই বোঝানো হয়েছে। আর এর কারণ হলো, রাতে ঘুমের মধ্যে হাত শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে যেতে পারে। যে কারণে হাতে কোনো ময়লা বা নাপাকিও লাগতে পারে। আর এই ময়লাযুক্ত হাত সরাসরি পানির পাত্রে প্রবেশ করানোর দ্বারা ঐ পবিত্র পানি নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থেকে বাঁচতে হাদিসে এমনটি বলা হয়েছে।

  • বিষয়:

নিউজটি আপডেট করেছেন: স্টাফ রির্পোটার।

বাংলা নিউজ নেটওয়ার্ক ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
পদত্যাগ করেছেন বিএনপির এমপি ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি, আসন শূন্য ঘোষণা

পদত্যাগ করেছেন বিএনপির এমপি ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি, আসন শূন্য ঘোষণা